সঙ্গীতজ্ঞ লোকমান হোসেন ফকিরের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

Printed Edition

একুশে পদকপ্রাপ্ত সঙ্গীতজ্ঞ এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী লোকমান হোসেন ফকিরের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ১৯৯১ সালের ২৩ এপ্রিল রাজধানীর লালমাটিয়ার বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। এ উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন দোয়া মাহফিল এবং শমসের ফকির বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও লোকমান ফকির মহিলা ডিগ্রি কলেজ স্মরণসভার আয়োজন করেছে।

টাঙ্গাইলের প্রখ্যাত ফকির পরিবারের সন্তান লোকমান হোসেন ফকির ১৯৩৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর (তৎকালীন গোপালপুর থানার নিকরাইল গ্রামে) বর্তমানে ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে সুরকার, গীতিকার, সঙ্গীত পরিচালক, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক। তিনি ১৯৬০ সালে বেতারের কণ্ঠশিল্পী ও ১৯৬৫ সালে বেতার এবং টেলভিশনে সুরকার ও গীতিকার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

সাংস্কৃতিক সংগঠক লোকমান হোসেন ফকির ১৯৬২ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ ললিতকলা অ্যাকাডেমি, লোকসঙ্গীত শিল্পীগোষ্ঠী, গীতিকবি সংসদ, সোনালী সপ্তক ও গণচিন্তা প্রকাশনী সংস্থা এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। এ ছাড়া তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে গেছেন ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৯১ সালের ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত। ‘চরিত্রহীন’ ছায়াছবির শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সম্মানিত হন ১৯৭৬ সালে। এ ছাড়া ২০০৩ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হন। তিনি সঙ্গীতের ওপর চারটি গ্রন্থ রচনা করে গেছেন- ‘লোকমান ফকিরের গান’, ‘আমি দিন গুনছি’, ‘জীবন যেমন’ ও ‘ভাবনা পারাপার’। বিজ্ঞপ্তি।