বেসরকারি জ্বালানি আমদানি নীতি নিয়ে খবর ‘ভিত্তিহীন’, দাবি সরকারের

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

বেসরকারি খাতে জ্বালানি আমদানি নীতি নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন ও আলোচনাকে ‘অনুমাননির্ভর ও অসত্য’ বলে দাবি করেছে সরকার। এসব তথ্যের কারণে জনমনে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

গতকাল শনিবার মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ সাদেক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ অবস্থান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার বর্তমানে ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানির আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ শিরোনামে একটি খসড়া নীতি প্রণয়নের কাজ করছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রস্তাবিত নীতির মূল লক্ষ্য হলো দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করা। একই সাথে জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং আরো স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক জ্বালানি বাজার গড়ে তোলার বিষয়টিও নীতিতে গুরুত্ব পাচ্ছে।

নীতিটি চূড়ান্ত করার আগে জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত ও সুপারিশ বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হলেই কেবল প্রস্তাবিত নীতিটি বিবেচনা করা হবে।

বেসরকারি খাতে জ্বালানি আমদানির প্রস্তাবিত কাঠামো কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে সুবিধা দেয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হচ্ছে- এমন জল্পনাও প্রত্যাখ্যান করেছে মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, প্রস্তাবিত নীতির মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেয়ার সুযোগ নেই।

মন্ত্রণালয় আরো বলেছে, নীতিটি এখনো খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত ও সুপারিশ বিবেচনার পর এর চূড়ান্ত রূপ নির্ধারণ করা হবে।

সরকারের দাবি, জ্বালানি খাতে সরবরাহের ধারাবাহিকতা, নিরাপত্তা, বাজারে প্রতিযোগিতা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই প্রস্তাবিত নীতির প্রধান উদ্দেশ্য।