ঢাকাকে ‘গ্রিন ও ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের
Printed Edition
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকাকে একটি আধুনিক ‘গ্রিন সিটি ও ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নবনিযুক্ত প্রশাসক মো: আব্দুস সালাম। বুধবার নগর ভবনে করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাথে আয়োজিত পৃথক মতবিনিময় সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে চারটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে বৃক্ষরোপণ ও ব্যাপক সবুজায়ন, খালের প্রবাহ পুনরুদ্ধার ও খনন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর মশক নিধন। এই কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিএসসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে মশক নিধন কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিত করতে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী ‘মনিটরিং টিম’ গঠন করা হয়েছে। মশক নিধনে স্থানীয় সিভিল সোসাইটিকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় সতর্ক করে জানানো হয় যে, সচেতন করার পরেও কারও অবহেলায় মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বা পরিবেশ দূষিত করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
প্রশাসক মো: আব্দুস সালাম কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, সিটি করপোরেশন একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা রক্ষা করাই প্রধান কাজ। ভালো কাজের জন্য যেমন পুরস্কার নিশ্চিত করা হবে, তেমনি অবহেলার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি এখন থেকে ডিএসসিসির সব নাগরিক সেবা সম্পূর্ণ সচল ও নিরবচ্ছিন্ন থাকার ঘোষণা দেন।
এর আগে সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন ধলপুরে ডিএসসিসির কেন্দ্রীয় মশার ওষুধ সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন এবং ওষুধের গুণগত মান বজায় রাখার তাগিদ দেন। বিজ্ঞপ্তি।