সরিাজদখিানে তনি ফসলি জমতিে বালু ভরাট করে ব্যবসা

Printed Edition
bangla5
সরিাজদখিানরে বাসাইল ইউনয়িনরে তনি ফসলি জমতিে বালু ফলেে ভরাট করা হচ্ছে : নয়া দগিন্ত

মুন্সীগঞ্জ প্রতনিধিি

সোনালি ধানরে ক্ষতে, আলুর সবুজ আবাদ আর কৃষকরে ঘামঝরা মাঠ; সবই এখন বালুর নচিে চাপা পড়ার শঙ্কায়। মুন্সীগঞ্জরে সরিাজদখিান উপজলোর রশুনয়িা ও বাসাইল ইউনয়িনে তনি ফসলি কৃষজিমি ভরাট করে আবাসন ব্যবসা চালানোর অভযিোগ উঠছেে মাতৃভূমি সটিি হাউজংি কোম্পানরি বরিুদ্ধ।ে সরকারি নষিধোজ্ঞা ও ভূমি ব্যবহার নীতরি তোয়াক্কা না করইে ফসলজিমরি চরত্রি বদলে দয়ো হচ্ছে বলে স্থানীয়দরে অভযিোগ।

সরজেমনি দখো যায়, একরে পর এক আবাদি জমতিে ট্রাকর্ভতি বালু ফলো হচ্ছ।ে যে জমতিে কছিু দনি আগওে ধান কাটা ও আলু তোলা হয়ছে,ে সখোনে এখন আবাসন প্রকল্পরে সাইনর্বোড ঝুলছ।ে কৃষকদরে জমি দ্রুত রূপ নচ্ছিে ভবষ্যিৎ আবাসকি এলাকায়। স্থানীয় কৃষকদরে ভাষ্য, সরাসরি জমি কনিতে না পরেে ভন্নি কৌশল নয়ো হচ্ছ।ে আশপাশরে জমি ভরাট করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হচ্ছ,ে ফলে চাষাবাদ অসম্ভব হয়ে পড়ছ।ে এতে বাধ্য হয়ে অনকে কৃষক জমি বক্রিি করতে বাধ্য হচ্ছনে। কউে কউে প্রভাব ও চাপরে কথাও জানয়িছেনে।

পরবিশে বশিষেজ্ঞরা বলছনে, তনি ফসলজিমি ভরাট করা জাতীয় ভূমি ব্যবহার নীতি ও পরবিশে আইনরে সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এতে শুধু স্থানীয় কৃষি নয়, র্দীঘময়োদে দশেরে খাদ্য নরিাপত্তা হুমকরি মুখে পড়ব।ে এ বষিয়ে মাতৃভূমি সটিি হাউজংি কোম্পানরি বক্তব্য জানতে প্রকল্প এলাকায় গলেে কোনো দায়ত্বিশীল ব্যক্তকিে পাওয়া যায়ন।ি শ্রমকিরাও কথা বলতে রাজি হনন।ি সরিাজদখিান ইউএনও রুম্পা ঘোষ বলনে, অননুমোদতিভাবে কৃষজিমি ভরাটরে সুযোগ নইে। তদন্তসাপক্ষেে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নয়ো হব।ে