ফের ব্রাদার্সের কাছে হার আবাহনীর

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

  • ব্রাদার্স ১-০ ঢাকা আবাহনী
  • পিডব্লিউডি ২-০ ইয়ংম্যান্স

শনির দশা কাটছেই না ঢাকা আবাহনীর। লিগে তাদের অবস্থান নিচের দিকে। ৫ পয়েন্ট নিয়ে আছে ৭ নম্বরে। এ অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে আত্মবিশ^াস বৃদ্ধির জন্য ফেডারেশর কাপেও জয়ে থাকাটা জরুরি ছিল তাদের। হলো না সেটাও। ছন্দহীনতা এ আসরেও। তাও আবার গতকাল ফের ব্রাদার্স ইউনিয়নের কাছে হারে। কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে আকাশি নীল শিবিরকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাদার্স। এতে করে ফেডারেশন কাপের ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেছে গোপীবাগের দলটি। আর আবাহনী নেমে গেছে তিন নম্বরে। কারণ গতকাল গ্রুপের অপর ম্যাচে পিডব্লিউডি ২-০ গোলে হারিয়েছে ইয়ংম্যান্স ক্লাব ফকিরেরপুল। এতে এ অফিস ক্লাবটি চলে এসেছে দুই নম্বরে।

ব্যর্থতা এবং দুর্ভাগ্য এ দুয়ের সমন্বয়েই কাল আবার হারের স্বাদ নিতে হলো দেশসেরা ক্লাবটিকে। নিজেরা যেমন গোল করতে পারেনি। তেমনি বিপক্ষ ডিফেন্ডার মনির আলম যখন বক্সের বাইরে থেকে প্রচণ্ড শটটি নিচ্ছিলেন তখন তাকে বাধা দেয়ার কেউই ছিল না। ফলে লিগের পর ফেডারেশন কাপেও ব্রাদার্স ইউনিয়নের কাছে হারতে হলো আকাশি নীল শিবিরকে।

শুরুতেই সোলেমান দিয়াবাতের ডাইভিং হেড লক্ষ্য মিস করলে গোল বঞ্চিত আবাহনী। এরপর ব্রাদার্সের এগিয়ে যাওয়া। বক্সের বাইরে ফাঁকা জায়গায় বল পান লেফট ব্যাক মনির আলম। এরপর ডান পায়ে যে শট নেন তা ডান দিকে শরীর ভাসিয়েও কিছু করতে পারেননি গোলরক্ষক মিতুল মারমা। বল তাকে ফাঁকি দিয়ে আশ্রয় নেয় জালে। ঘটনাটি ২৭ মিনিটের। এরপর শুরু হয় মারুফল হক বাহিনীর গোল পরিশোধের চেষ্টা। কিন্তু কোনোভাবেই সফলতা আসলো না। শেষ দিকে তিনটি চান্স মিস। লেফট ব্যাক আলমগীর মোল্লাকে হতাশ হতে হয়। বদলি খেলোয়াড় সায়েম পারেননি হেডে গোল করতে বল মাথায় লাগাতে। আর একেবারেই শেষ মুহূর্তে আবাহনীর আরেক ফুটবলারের শট ক্রসবারে লেগে ফেরত এলে হতাশার হার নিয়ে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় ফিরতে হয় আবাহনীকে। ফেডারেশর কাপে দুই ম্যাচে প্রথম হার তাদের। প্রথম ম্যাচে তারা ৪-২ গোলে ইয়ংম্যান্সকে হারিয়েছিল। এবারের ঘরোয়া ফুটবলে লিগ ও ফেডারেশন কাপ মিলে ৭ ম্যাচে তৃতীয় হার আবাহনীর। লিগে তারা ব্রাদার্সের কাছে ১-২ গোলে এবং মোহামেডানের কাছে ২-৩ গোলে হেরেছিল।

ফেডারেশন কাপের ‘এ’ গ্রুপেরই অপর ম্যাচ ছিল গতকাল কিংস এরিনায়। এতে পিডব্লিউডি ২-০ গোলে হারিয়েছে ইয়ংম্যান্স ক্লাব ফকিরেরপুলকে। বিজয়ী দলের উজবেকিস্তানের আকবির তুরায়েভ ৩৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে দলকে এগিয়ে নেন। এরপর ৬৫ মিনিটে শরীর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।