পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোরিয়ান কোম্পানির সাথে চুক্তি ডিএসসিসির
মাতুয়াইল স্যানেটারি ল্যান্ডফিল
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করার জন্য ডিএসসিসি ও কোরিয়ান কোম্পানি বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এনডিসি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো: মাহমুদুল হাসান।
২০২৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকার ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সফার্ড মিটিগেশন আউটকামস (আইটিএমও) এ স্বাক্ষরিত এমওইউ-এর ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ কোরিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেড ও ডিএসসিসির মধ্যে মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিলে সমীক্ষা জরিপ পরিচালনার জন্য আরেকটি এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। এ সমীক্ষায় ল্যান্ডফিলে গ্যাস উত্তোলন ও রিসাইক্লিন প্ল্যান্ট স্থাপনের উপর বিস্তারিত সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের জন্য বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেডের সাথে ডিএসসিসির গতকাল এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। ডিএসসিসির পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম ও বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে পার্ক চং উয়ান চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন।
‘সাসটেইনেবল ল্যান্ডফিল রিকেমেশন (এসএলআর) থ্রো ল্যান্ডফিল গ্যাস (এলএফজি) এক্সট্রাকশন অ্যান্ড থিআর রিসোর্সেস সার্কুলেশন সেন্টার (আরসিসি) পাইলট প্রজেক্ট’ শীর্ষক চুক্তির এ পাইলট প্রকল্পের মেয়াদ পাঁচ বছর, যা ১০ বছর পর্যন্ত নবায়নযোগ্য।
এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ১৫ বছরে পুনঃচক্রায়নের মাধ্যমে ডিএসসিসি এলাকায় দৈনিক সৃষ্ট বর্জ্য শূন্য-বর্জ্যে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আইন ২০২১ এর আওতায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এ প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
ডিএসসিসি চুক্তির আওতায় বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেডেরকে মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিলে চার একর জমি প্রকল্প সময়ের জন্য লিজ হিসেবে প্রদান করবে।
এ ছাড়া প্রতিদিন গড়ে ৩০০ মেট্রিক টন কঠিন বর্জ্য বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেডকে ব্যবস্থাপনার জন্য দেয়া হবে। প্রকল্প সম্পর্কিত সব ব্যয় ওই কোম্পানি বহন করবে। প্রকল্পে ডিএসসিসির কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই।
তবে, প্রকল্প হতে যখনই আয় শুরু হবে, সেই আয়ের ২০ শতাংশ ডিএসসিসি প্রাপ্ত হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জৈব সার, বায়োগ্যাস, আরডিএফ, বায়ো ফুয়েল, সিমেন্টের কাঁচামাল ও অন্যান্য ব্যবহারযোগ্য পণ্য তৈরি করা হবে।
পরিবেশবান্ধব এ প্রকল্পটি মেয়াদ শেষে বুউইল্ড ওউন অপারেট অ্যান্ড ট্রান্সফার (বুট) মডেল অনুসরণ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরিত হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ডিএসসিসির প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এ চুক্তিটি একটি মাইলফলক।
এর ফলে এক দিকে যেমন পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপর বর্জ্য দূষণজনিত ঝুঁকি হ্রাস পাবে, তেমনি বর্জ্যকে সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো: মাহাবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করার জন্য ডিএসসিসি ও কোরিয়ান কোম্পানি বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এনডিসি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো: মাহমুদুল হাসান।
২০২৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকার ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সফার্ড মিটিগেশন আউটকামস (আইটিএমও) এ স্বাক্ষরিত এমওইউ-এর ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ কোরিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেড ও ডিএসসিসির মধ্যে মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিলে সমীক্ষা জরিপ পরিচালনার জন্য আরেকটি এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। এ সমীক্ষায় ল্যান্ডফিলে গ্যাস উত্তোলন ও রিসাইক্লিন প্ল্যান্ট স্থাপনের উপর বিস্তারিত সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে পাইলট প্রকল্প গ্রহণের জন্য বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেডের সাথে ডিএসসিসির গতকাল এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। ডিএসসিসির পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম ও বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে পার্ক চং উয়ান চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন।
‘সাসটেইনেবল ল্যান্ডফিল রিকেমেশন (এসএলআর) থ্রো ল্যান্ডফিল গ্যাস (এলএফজি) এক্সট্রাকশন অ্যান্ড থিআর রিসোর্সেস সার্কুলেশন সেন্টার (আরসিসি) পাইলট প্রজেক্ট’ শীর্ষক চুক্তির এ পাইলট প্রকল্পের মেয়াদ পাঁচ বছর, যা ১০ বছর পর্যন্ত নবায়নযোগ্য।
এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ১৫ বছরে পুনঃচক্রায়নের মাধ্যমে ডিএসসিসি এলাকায় দৈনিক সৃষ্ট বর্জ্য শূন্য-বর্জ্যে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আইন ২০২১ এর আওতায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য এ প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
ডিএসসিসি চুক্তির আওতায় বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেডেরকে মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিলে চার একর জমি প্রকল্প সময়ের জন্য লিজ হিসেবে প্রদান করবে।
এ ছাড়া প্রতিদিন গড়ে ৩০০ মেট্রিক টন কঠিন বর্জ্য বিঅ্যান্ডএফ কোম্পানি লিমিটেডকে ব্যবস্থাপনার জন্য দেয়া হবে। প্রকল্প সম্পর্কিত সব ব্যয় ওই কোম্পানি বহন করবে। প্রকল্পে ডিএসসিসির কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই।
তবে, প্রকল্প হতে যখনই আয় শুরু হবে, সেই আয়ের ২০ শতাংশ ডিএসসিসি প্রাপ্ত হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জৈব সার, বায়োগ্যাস, আরডিএফ, বায়ো ফুয়েল, সিমেন্টের কাঁচামাল ও অন্যান্য ব্যবহারযোগ্য পণ্য তৈরি করা হবে।
পরিবেশবান্ধব এ প্রকল্পটি মেয়াদ শেষে বুউইল্ড ওউন অপারেট অ্যান্ড ট্রান্সফার (বুট) মডেল অনুসরণ করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরিত হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ডিএসসিসির প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এ চুক্তিটি একটি মাইলফলক।
এর ফলে এক দিকে যেমন পরিবেশ ও প্রতিবেশের উপর বর্জ্য দূষণজনিত ঝুঁকি হ্রাস পাবে, তেমনি বর্জ্যকে সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো: মাহাবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।