নি ত্যো প ন্যা স

ঘটন-অঘটন সুন্দরবন

Printed Edition
Nitto-3
ঘটন-অঘটন সুন্দরবন

প্রিন্স আশরাফ

একশ’ চুয়াল্লিশ.

মেয়েটা তখনো বন্দুক নামায়নি। কিন্তু তার মুখের ভাবের কাঠিন্য কিছুটা দূর হলো।

নাভিদ আবার চেঁচাল, ‘আপনারা কারা? এখানে এভাবে আছেন কেন?’ তার কথায় তেমন কোনো কাজ হচ্ছে না দেখে সে মাঝির শরণাপন্ন হলো। মাঝি প্রথমে ইতস্তত করলেও পরে গলা চড়াল। ‘মা জননীরা, বন্দুকটা নামাই ফ্যাল। সাবেরা ভালো মানুষ। তোমায় কোনো ক্ষেতি করবিনানে। সাবেরা সরকারের লোক। তুমায় কুন অসুবিধা হলি সাবেদের কাছে বলতি পারবানে।’ নাভিদ জুয়েলের দিকে হাত ইশারা করে পিস্তল নামাতে ইঙ্গিত করল। নিজেও পিস্তল নামাল। মাঝিকে হালে যাওয়ার নির্দেশ দিলো। তখনই নাভিদ বুঝতে পারল মেয়েটা বন্দুক নামিয়েছে মনে হলেও বন্দুক নামায়নি। বন্দুক হস্তান্তর করেছে। পিছনের মহিলার কাছে হস্তান্তর করেনি। একজন বয়স্ক শক্তপোক্ত মানুষ বন্দুক তাক করে নৌকার সামনের দিকে এগিয়ে আসছে। মেয়েটাকে সরিয়ে দিয়ে পেশিবহুল শক্তপোক্ত শরীরের খালি গায়ের মধ্যবয়স্ক লোকটি বেরিয়ে এলো। মাথায় আধপাকা রুক্ষ বাবরি টাইপের চুল। গোঁফ দাড়ি ভরা মুখ। (চলবে)