বেনাপোল দিয়ে ট্র্যাভেল পারমিটে দেশে ফিরল ২৪ জন নারী পুরুষ ও শিশু
Printed Edition
বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা
বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বিশেষ ট্র্যাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরল ২৪ জন নারী-পুরুষ ও শিশু। এদের মধ্যে আটজন নারী ও ১৬ জন পুরুষ। এরমধ্য পাঁচজন শিশু। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
ফেরত আসারা হলোÑ সোনিয়া বেগম, পারভিন, লাবনী আক্তার সুমাইয়া, ফাহিমা খাতুন, জুবইদা খাতুন, বকুল বেগম, জবেদা বেগম, কুলসুম আক্তার, রিয়াজ তালুকদার, জুবাইয়ের আসলাম, পারভেজ, ইউসুফ খান, ইয়ামিন, সুজন সর্দার, ইলিয়াছ খান, আব্দুল সালাম হাওলাদার, মুকুল, ইব্রাহিম হাওলাদার, ফজলু হাওলাদার, মারুফ হাওলাদার, মিজানুর হাওলাদার, কাইয়ুম মিয়া ও জাফর আহমেদ ও ইয়াসিন তালুকদার। এদের প্রত্যেকের বয়স ৩ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। তাদের বাড়ি নড়াইল, বাগেরহাট, বরিশাল, পিরোজপুর, খুলনা ও রংপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে।
ফেরত আসা সোনিয়া বেগম বলেন, তারা দালালদের মাধ্যমে ভালো কাজের আশায় ভারত পাড়ি জমায় প্রায় তিন বছর আগে। এরপর সে দেশের পুলিশের কাছে আটক হয়ে তারা আদালতের মাধ্যমে জেল খানায় যায়। সেখান থেকে সে দেশের বেসরকারি এনজিওরা তাদের ছাড় করিয়ে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। এরপর দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে তারা আজ ট্র্যাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফেরত আসে। তারা তামিল নাড়ু প্রদেশের একটি শেল্টার হোমে ছিল।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ফেরত আসা বাংলাদেশীরা ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে বিভিন্ন সীমান্তে দিয়ে ভারত গিয়ে আটক হয়। তারা আদালতের মাধ্যমে প্রায় ২ থেকে ৩ বছর জেল খেটে গতকাল বেনাপোল দিয়ে ফেরত আসে। বেনাপোল পোর্ট থানা ওসি আশরাফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানার আনুষ্ঠানিক কাজ শেষে এদের বেসরকারি সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বেসরকারি সংস্থা জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের এরিয়া কোয়ার্ডিনেটর সফিকুর রহমান বলেন, ফেরত আসাদের আমরা যশোর নিয়ে শেল্টার হোমে রাখব। সেখান থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।