রাবিতে সেমিনার

বিচারব্যবস্থায় এআই ব্যবহারের আইনি ও নৈতিক দিক উন্মোচনের তাগিদ

Printed Edition

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় মানবাধিকার রক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার : নৈতিক ও আইনি প্রভাব’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষজ্ঞরা বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. জুলফিকার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রোভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক সাঈদা আঞ্জু। সেমিনারে জানানো হয়, তীব্র প্রতিযোগিতার মাধ্যমে রাবি আইন বিভাগ ‘উইন্ডো-৩’ এর অধীনে ‘হিট’ প্রজেক্টটি অর্জন করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং এর প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা। প্রজেক্টটি সফল হলে বিভাগে একটি আধুনিক লিগ্যাল ডাটাবেজ, সফটওয়্যার ও ভিআর সমৃদ্ধ ল্যাব তৈরি হবে, যা ম্যুট কোর্টের সাথে সংযুক্ত থাকবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন বলেন, ‘এই প্রজেক্টটি আইন শিক্ষায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। সমসাময়িক বিশ্বে প্রযুক্তিনির্ভর বিচারব্যবস্থা ও ডাটা বিশ্লেষণের আইনি জটিলতা নিরসনে এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী।’ বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক সাঈদা আঞ্জু বলেন, ‘বর্তমানে এআই-এর ব্যবহার অনস্বীকার্য। একে বর্জন নয়, বরং গ্রহণের মানসিকতা রাখতে হবে। তবে এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ‘টেস্টিং কিট’ হিসেবে শক্তিশালী রেগুলেশন বা নীতিমালা তৈরি করা জরুরি।’

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক জুলফিকার আহমেদ এআই ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা, নৈতিকতা এবং ডাটার গোপনীয়তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।