বাংলাদেশে ইসলামের ধারক-বাহক ছিলেন জিয়াউর রহমান : ধর্মমন্ত্রী

Printed Edition
back-5
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসেন কায়কোবাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল আয়োজিত হিফজুল কুরআন ও তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করেন : নয়া দিগন্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বাংলাদেশে ইসলামের প্রসার ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির ক্ষেত্রে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ বলেছেন, বাংলাদেশে ইসলামের ধারক-বাহক ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম’ সংযোজন এবং আল্লাহর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন তিনিই।

গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) টিএসসি মিলনায়তনে ছাত্রদলের উদ্যোগে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইসলামী মূল্যবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম’ সংযোজন এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনের ঘোষণা ছিল একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

অনুষ্ঠানের আগে দুই দিনব্যাপী কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে বাছাই করা প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে বুধবার চূড়ান্ত পর্ব সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক।

তিনি বলেন, আমাদের আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী চলতে হবে, কোনো আপস ছাড়াই। আল্লাহর বিধান মেনে চললে ইনশাআল্লাহ দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি কওমি মাদরাসাগুলোকে সুসংগঠিত ও সহযোগিতার মাধ্যমে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান, যাতে সারা দেশে কুরআনের আলো ছড়িয়ে দেয়া যায়।

নিজেকে প্রধান অতিথি নয়, বরং ‘ভাই’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের কামলা হিসেবে থাকতে চাই। যেকোনো সময় ডাক দিলে আমাকে পাবেন। তারেক রহমান জনগণের খাদেম হিসেবে আমাদের নিয়োগ দিয়েছেন; মন্ত্রী বলে বাহাদুরি করার জন্য নয়।

অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ধর্মমন্ত্রী। এ সময় কারি আহমদ বইন আজহারী, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কুরআন শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং ইসলামী মূল্যবোধ চর্চার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেই এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও উৎসাহ ভবিষ্যতে আরো বৃহৎ পরিসরে আয়োজনের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।