রাজধানীর ৩টি আসনে জামায়াতের শোডাউন ফ্যাসিবাদের পথ চিরতরে বন্ধের আহ্বান

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিশাল নির্বাচনী শোডাউন ও জনসভা করেছে ১১ দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গতকাল শুক্রবার পৃথক পৃথক জনসভা ও মিছিলে জামায়াত প্রার্থীরা ঘোষণা করেছেন, এবারের নির্বাচন কেবল জয়-পরাজয়ের নয়, বরং দেশ থেকে আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটানোর লড়াই।

দনিয়া মাঠে জনসভা : বিকেলে রাজধানীর শনিরআখড়া দনিয়া কলেজ মাঠে ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পক্ষে বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, যারা বুকের রক্ত ঢেলে বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদের হাত থেকে মুক্ত করেছে, তাদের রক্তের দায় শোধ করতে ফ্যাসিবাদের পথ চিরতরে বন্ধ করতে হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং দাঁড়িয়ে পাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুযোগ দিন।

ঢাকা-৫ আসন কমিটির পরিচালক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে জনসভা শেষে শনিরআখড়া ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় গণসংযোগ চালানো হয়।

ঢাকা-৬ আসনে ড. আব্দুল মান্নানের জনসভা

বংশালের সুরিটোলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে মানুষ কাক্সিক্ষত অধিকার পায়নি। যারা ক্ষমতায় থেকে জনগণের সম্পদ লুট করে বিদেশে পাচার করেছে, দুঃসময়ে তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। কিন্তু জামায়াতের নেতারা সবসময় জনগণের পাশেই ছিল। তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে আধিপত্যবাদের অবসান ঘটানোর অঙ্গীকার করেন।

মিরপুরে ডা: শফিকুর রহমানের সমর্থনে মিছিল

এ দিকে জুমার নামাজের পর ঢাকা-১৫ আসনের প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমানের সমর্থনে মিরপুরে এক বিশাল মিছিল বের করা হয়। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ডা: মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে মিছিলটি মিরপুর ১৩নং কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সরকার বাড়ি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে মিরপুর ও কাফরুল এলাকার ১১ দলীয় নেতাকর্মী অংশ নিয়ে ডা: শফিকুর রহমানের পক্ষে স্লোগান দেন।

জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতারা কয়েকটি মূল বিষয় তুলে ধরেন- ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি রোধে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়ার আহ্বান। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি। দেশের দুঃসময়ে পালিয়ে না যাওয়া ‘পরীক্ষিত’ নেতৃত্বকে রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ দেয়ার অনুরোধ।