অপরাজিতই থাকল দক্ষিণ আফ্রিকা
Printed Edition
ক্রীড়া ডেস্ক
টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের টিকিট আগেই নিশ্চিত করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও পাত্তা না দিয়ে শেষ চারে পৌঁছেছিল প্রোটিয়ারা। বাকি ছিল সুপার এইটের নিয়ম রক্ষার শেষ ম্যাচে শতভাগ জয় নিয়ে নিজেদের ঝালিয়ে নেয়ার। অবশেষে সেই কাজটিই ভালোভাবেই সেরে নিল প্রোটিয়ারা। গ্রুপ-১-এর ম্যাচে গতকাল জিম্বাবুয়েকে পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে এইডেন মার্করামের দল।
দিল্লিতে গতকাল আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। লক্ষ্য তাড়ায় পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৩ বল হাতে রেখে ১৫৪ রান করলে জয় নিশ্চিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার। তাতেই সুপার এইটে টানা তিন ম্যাচ জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মার্করাম-বাহিনী।
অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারে ভালো শুরুর আভাস দিলেও পরের ওভারেই উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। মাফাকার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন তাদিওয়ানাশে মারুমানি। পঞ্চাম ওভারে নর্টজের শিকার অপর ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। বেশিদূর যেতে পারেননি ডিওন মায়ার্সও। রায়ান বার্লের ব্যাট থেকে আসে ৫ রান। ২ রানের বেশি করতে পারেননি টনি মুনিওঙ্গা। ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মধ্যে একাই লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। তাকে সঙ্গ দেন ক্লাইভ মদন্ডে। ব্যক্তিগত অর্ধশতক পূরণের পর ৭৩ রানে মাফাকার বলে মিলারের তালুবন্দী হলে থামে রাজার ইনিংস। এদিকে প্রথম জিম্বাবুইয়ান ব্যাটার হিসেবে তিন হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর ব্র্যান্ড ইভান্স ৮ ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ১ রান করে ফিরলেও ২৬ রান নিয়ে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন মদন্ডে।
১৫৪ রানকে তাড়া করতে নেমে ভালো সূচনা পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন কুইন্টন ডি কক। ব্যক্তিগত ৪ রানেই বিদায় নেন মার্করামও। সেখান থেকে ডেওয়াল্ড ব্রেভিসকে নিয়ে লড়াই লক্ষ্যের দিকে এগুতে থাকেন রায়ান রিকেল্টন। কিন্তু পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের শেষ বলে ৩১ রান নিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন রিকেল্টনও। এরপর মুজারাবানির বলে ২২ রান নিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ডেভিড মিলার। ব্রেভিস ৪২ রানে ফিরলে বাকি কাজটুকু সারেন ট্রিস্তান স্টাবস ও জর্জ লিন্ডে। স্টাবস ২১ ও ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন লিন্ডে। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন সিকান্দার রাজা। ব্যাট হাতে ৭৩ রান ও বল হাতে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন জিম্বাবুইয়ান অধিনায়ক।