ফাইনালের লড়াইয়ে আর্সেনাল-অ্যাথলেটিকো
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
Printed Edition
ক্রীড়া ডেস্ক
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে হাইভোল্টেজ ম্যাচে ঘরের মাঠে আজ অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের মুখোমুখি হবে আর্সেনাল। গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রথম লেগে স্পেনে ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় এই ম্যাচটি ফাইনালে যাওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়াম ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে দুই দল।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের মাঠে প্রথম লেগে ভিক্টর ইয়োকেরেসের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে গিয়েছিল আর্সেনাল। কিন্তু সেই গোল ধরে রাখতে পারেনি সফরকারীরা। তীব্র প্রতিদ্বন্ধিতাপূর্ণ ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে বেন হোয়াইটের হ্যান্ডবল থেকে পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে সফল স্পট কিকে অ্যাথলেটিকোকে সমতায় ফেরান জুলিয়ান আলভারেজ। এরপর দুই দলই গোলের বেশ কয়েকটি সুযোগ পেলেও রক্ষণাত্মক দক্ষতার কারণে আর জালের দেখা পায়নি।
২০০৬ সালের ১৭ মে সবশেষ ফাইনালে খেলেছিল আর্সেনাল। প্যারিসের স্তাদ দ্য ফ্রান্সে সেই ম্যাচে বার্সেলোনার কাছে ২-১ গোলে পরাজিত হয়ে শিরোপা স্বপ্ন পূরণ হয়নি গানারদের। এবার তাদের সামনে রয়েছে সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে এগিয়ে যাওয়ার। এমিরেটসে আজ কাই হাভার্টজ ও মার্টিন ওডেগার্ডের ফিটনেস নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে আর্সেনাল। তবে ভিক্টর ইয়োকেরেস, বুকায়ো সাকা, ডেকলান রাইস এবং রক্ষণ সামলাতে রয়েছেন উইলিয়াম সালিবার মতো অভিজ্ঞ ফুটবলার। চলতি মৌসুমে এমিরেটসে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছে আর্সেনাল। ঘরের মাঠ ও ইয়োকেরেসের দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় এই ম্যাচে কিছুটা এগিয়ে থাকবে গানাররা। আর গত অক্টোবরে অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয়ে আত্মবিশ্বাসে এগিয়ে থাকবে মিকেল আর্তেতার শীর্ষরা।
২০১৬ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেলেছিল অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। মিলানের সান সিরোতে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের কাছে পেনাল্টি শুট-আউটে ৫-৩ ব্যবধানে হেরে শিরোপা ঘরে তোলা হয়নি দিয়েগো সিমিওনের দলের। আবার ফাইনালে ওঠার সুযোগ এসেছে তাদের সামনে। প্রতিপক্ষের মাঠে আজ অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ চোটের কারণে অনিশ্চিত পাবলো ব্যারিওস ও ডেভিড হানকো। মাদ্রিদের দলটির হয়ে এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান, জুলিয়ান আলভারেজ ও অ্যাডেমোলা লুকমান। দিয়েগো সিমিওনের দল নকআউট পর্বে, বিশেষ করে প্রতি-আক্রমণে খুব বিপজ্জনক। সেন্ট্রাল মিডফিল্ড লড়াইয়ে ডেকলান রাইস বনাম কোকে বা কার্ডোসোর লড়াই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ করে দিতে পারে। নিজেদের মাঠে বাড়তি সুবিধা পেলেও ম্যাচে যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ।