পানি পানের যত নিয়ম

Printed Edition

শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি পানের বিকল্প নেই। শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, শরীর থেকে সমস্ত টক্সিন দূর করতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে পানি পানের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। শরীরে পানির ঘাটতি হলে ডিহাইড্রেশনসহ নানা ধরনের জটিল রোগ বাসা বাঁধতে পারে।

প্রত্যেকের শরীরে পানির চাহিদা এক রকম নয়। তবে সাধারণত দিনে ৩-৪ লিটার পানি পান করা উচিত। তবে শুধু কতটা পানি খাচ্ছেন তা নয়, কিভাবে খাচ্ছেন সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। ভুল পদ্ধতিতে পানি খেলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ কারণে পানি পানের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। যেমন-

১. বরফ ঠাণ্ডা পানি পান এড়িয়ে চলুন। খুব ঠাণ্ডা বা বরফ মেশানো পানি খেলে শরীর হঠাৎ ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এতে গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি, এমনকি হজমের সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে খাওয়ার পর বরফ পানি খেলে অনেকের পেটে অস্বস্তি হয়। তাই ফ্রিজের পানি না খেয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রার বা হালকা গরম পানি খাওয়াই ভালো।

২. দাঁড়িয়ে কিংবা হাঁটতে হাঁটতে পানি খাওয়া ঠিক নয়। এতে খুব দ্রুত পেটে পানি চলে যায়। আর শরীর ঠিকমতো তা গ্রহণ করতে পারে না। এর ফলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি বা পেটের সমস্যা হতে পারে। তাই বসে শান্তভাবে পানি পান করুন।

৩. একসাথে অনেকটা পানি খাওয়া ঠিক নয়। অনেকেই তৃষ্ণা পেলে একবারে অনেকটা পানি খেয়ে ফেলেন। এতে কিডনির ওপর চাপ পড়ে। শরীরের ভারসাম্যও বিঘিœত হতে পারে। তাই একসাথে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার পানি খান।

৪. পানি পান করুন ধীরে ধীরে। ছোট ছোট চুমুকে পানি খেলে শরীর সহজে তা শোষণ করতে পারে। তাড়াহুড়া করলে হজমের সমস্যা হতে পারে।

৫. খাওয়ার পর পরই পানি পান ঠিক নয়। এতে হজমে সমস্যা হতে পারে। অনেকের পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি দেখা দেয়। খাওয়ার অন্তত ২০-৩০ মিনিট পর পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৬. প্লাস্টিকের বোতল এড়িয়ে চলুন। দীর্ঘ সময় প্লাস্টিকের বোতলে পানি রাখা ভালো নয়, বিশেষ করে রোদে থাকলে ক্ষতিকর রাসায়নিক পানিতে মিশে যেতে পারে। পানির জন্য কাঁচ, মাটি বা তামার বোতল ব্যবহার করা ভালো। ইন্টারনেট।