আল্লামা সালমান হোসাইনী নদভীর ইন্তেকাল
Printed Edition
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
উপমহাদেশের বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার, ভারতের দারুল উলুম নদওয়াতুল ওলামা লক্ষেèৗর দাওয়াহ অনুষদের সাবেক ডিন এবং জামিয়া সৈয়দ আহমদ শহীদের চ্যান্সেলর, আওলাদে রাসূল সা: আল্লামা শায়খ সাইয়্যেদ সালমান হোসাইনী নদভীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তার ছাত্র ও রাহবারে বায়তুশ শরফ আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী।
সোমবার ফজরের নামাজের আগে লক্ষেèৗর নিজ বাসভবনে আল্লামা সালমান হোসাইনী নদভী ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মালিহাবাদের জামিয়াহ সৈয়দ আহমেদ শহীদ কাটুলিতে আসরের নামাজের পর তার নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
এক শোক বিবৃতিতে রাহবারে বায়তুশ শরফ বলেন, আল্লামা সাইয়্যেদ সালমান হোসাইনী নদভী ছিলেন সমকালীন মুসলিম উম্মাহর এক অমূল্য সম্পদ। জ্ঞানতাত্ত্বিক অঙ্গনে ইসলামী দর্শন, ইতিহাস, সাহিত্য ও শিক্ষা-সংস্কৃতি বিকাশে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। আরবি ও উর্দু ভাষায় রচিত তার বহু পাণ্ডিত্যপূর্ণ গ্রন্থ মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে পাঠ্যবই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আরব বিশ্বে সমকালীন উপমহাদেশের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি।
আন্তর্জাতিক রাবেতা আল আদব আল ইসলামীর অন্যতম কর্ণধার এই পণ্ডিত ডা: আবদুল আলী ইউনানি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং জমিয়ত শাবাব উল ইসলামের সভাপতি ছিলেন। এ ছাড়া তিনি ভারতে বহু শিক্ষা ও চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি ইংরেজি, উর্দু, ফার্সি ও আরবি ভাষার ১৩টি সাময়িকীর প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিবৃতিতে শায়খ মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী তার উস্তাদের সাথে ২০২৩ সালের সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং ২০২৪ সালে বায়তুশ শরফের মাহফিলে তার অংশগ্রহণের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি মরহুমের দ্বীনি খিদমত কবুল করে তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।