ব্যাটারদের ঘাটতি পূরণের প্রচেষ্টা সিমন্সের

Printed Edition
khela-3
ডাবল সেঞ্চুরি করা ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটার জাস্টিন গ্রিভস : ক্রিকইনফো

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিপিএল শুরুর আগে খালি সময়টায় বসে না থেকে ব্যাটসম্যানদের নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ফিল সিমন্স ও মোহাম্মদ সালাউদ্দিনরা। গতকাল শুরু হওয়া এই ক্যাম্প চলবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে ঘণ্টা তিনেকের সেশন করেছেন ক্রিকেটাররা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কঠিন চাপ মোকাবেলা, গতিময় ডেলিভারি মোকাবেলা, ডট বলের সংখ্যা কমানোর মতো ব্যাপারগুলো নিয়েই হচ্ছে অনুশীলন।

গতকাল তানজিদ, হোসেন, সাইফ ও সোহান আলাদা সেশনে ব্যাট করেছেন। জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ সালাউদ্দিন ও ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল দু’জনেই পালা করে তাদের প্রতিটি শট, ফুটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ করেছেন। ব্যাটসম্যানদের জন্য বোলিং মেশিনে ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটারের মধ্যে বল করে ব্যাটসম্যানদের চ্যালেঞ্জ দেখার চেষ্টা করেছেন সিমন্স। বিশেষ এই ক্যাম্পে তিনটি বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করেছেন কোচরা। তার চান, দ্রুতগতির বল খেলার সময় ব্যাটারদের মাথা ও পায়ের পজিশন যেন পুরোপুরি নিখুঁত থাকে। ব্যাটসম্যানরা টাইমিং করতে পারছেন কিনা, ব্যাটের কোথায় বল লাগছে- এ ধরনের তথ্য সংগ্রহ করেছেন। লেংথ ডেলিভারি যেন ব্যাটের কানা না নেয় তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে বারবার অনুশীলনে।

প্রথম দিনের অনুশীলন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কোচ সালাউদ্দিন ক্যাম্পের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। ‘আমাদের ব্যাটারদের দক্ষতার ঘাটতি আছে। সেটি নিয়ে কাজ করার জন্য আমরা তেমন কোনো সময় পাই না। এখন যেহেতু সুযোগ পেয়েছি, তা কাজে লাগাতে চাচ্ছি। কিভাবে (সঠিক) শট নির্বাচন করতে হয়... শট ফিল্ডারের গা ঘেঁষে না পাঠিয়ে গ্যাপ খুঁজে বের করার কৌশল শেখানো হচ্ছে। একই সাথে ক্রিকেটারদের ম্যাচের পরিস্থিতি নিজ থেকে বুঝতে পারার মতো মানসিক দিক নিয়েও কাজ করছি। কারণ দিনশেষে মাঠে তো তারাই খেলবে, আমরা খেলব না। তারা যেন নিজেরাই কাজটি করতে পারে, সে চেষ্টাই করছি।’