দাগনভূঁঞা থানার পুকুরে মিলল পুলিশের লুট হওয়া ২১৯ রাউন্ড কার্তুজ

Printed Edition

দাগনভূঁঞা (ফেনী) সংবাদদাতা

ফেনীর দাগনভূঁঞা থানার অভ্যন্তরীণ পুকুর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২১৯ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত রোববার সকালে পুকুরটিতে সেচ দিয়ে তল্লাশি চালানোর পর এ গোলাবারুদগুলো পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, গত ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানকালীন সময়ে থানা থেকে লুট হওয়া বা হারিয়ে যাওয়া সরঞ্জামের অংশ এগুলো।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন থানার মতো দাগনভূঁঞা থানাতেও হামলা ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় থানা থেকে পুলিশের বেশ কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ খোয়া যায়। দীর্ঘদিন পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, সে সবের কিছু সরঞ্জাম থানার পুকুরেই থাকতে পারে।

রোববার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান এবং দাগনভূঁঞা থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমানের উপস্থিতিতে পুকুরটি সেচা হয়। পানি শুকিয়ে ফেলার পর কাদার মধ্যে তল্লাশি চালিয়ে ২১৯টি শটগানের কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমরা একটি সোর্সের মাধ্যমে নিশ্চিত হই যে, গণ-অভ্যুত্থানকালে মিসিং হওয়া কিছু সরঞ্জাম এ পুকুরে থাকতে পারে। সে তথ্যের ভিত্তিতেই সেচ দিয়ে তল্লাশি চালানো হয় এবং অক্ষত অবস্থায় কার্তুজগুলো পাওয়া যায়।

দাগনভূঁঞা থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমান জানান, উদ্ধারকৃত প্রতিটি কার্তুজের গায়ে ‘বাংলাদেশ পুলিশ’ লেখা রয়েছে। বিগত গণ-অভ্যুত্থানে থানার ৩৬৫টি গুলি লুট হয়, যার মধ্যে ২১৯টি উদ্ধার করা হলো। পুকুরে আরো কোনো অস্ত্র বা গোলাবারুদ আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে এখনো তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে। উদ্ধারকৃত কার্তুজগুলো বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।