খেলাফত মজলিসের গোলটেবিল বৈঠক
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ সরাসরি কার্যকর করতে হবে
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন জাতীয় সংসদ তথা সংবিধান সংস্কার পরিষদের উপর ন্যাস্ত ছিল। শপথকালীন সময় থেকে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনে বিরত থাকার কারণে এই সঙ্কটের শুরু হয়। অবৈধ এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্তহীন প্রতারণা বলে জুলাই জাতীয় সনদকে বিএনপি সরকার অবমূল্যায়ন করেছে। গতকাল বুধবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। সুতরাং জনগণ যখন কোনো রায় দেয় (গণভোট) তা রাষ্ট্রের যেকোনো প্রতিষ্ঠানের (সংসদ বা আদালত) সিদ্ধান্তের চেয়ে নৈতিকভাবে ঊর্ধ্বে থাকে। এখানে সংসদ বা আদালত হচ্ছে গঠিত শক্তি (ঈড়হংঃরঃঁঃবফ চড়বিৎ) আর জনতার রায় হচ্ছে গাঠনিক ক্ষমতা (ঈড়হংঃরঃঁবহঃ চড়বিৎ)। কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা দলের স্বার্থে নয়, বরং রাষ্ট্রের সামগ্রিক কল্যাণই হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য। তাই সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ সরাসরি কার্যকর করুন। গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ এর কার্যকারিতা যেকোনো মূল্যে সচল করুন। গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি না মানলে জনগণ আবারো গণ-আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আমিরে মজলিস মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। মূল বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল জলিলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব:) অলি আহমদ বীর বীক্রম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, খেলাফত মজলিস নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ এমপি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলামী পার্টির সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা আবদুল মাজেদ আতাহারী, জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, বিডিপির সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক নাঈম, খেলাফত মজলিস যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মুফতি আবুল হাসান এমপি, এবি পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-বিকেএমের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ ফায়সাল, লেবার পার্টির দফতর সম্পাদক মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, ডক্টরস সোসাইটি অব বাংলাদেশ সভাপতি ডা: আবদুল্লাহ খান, ঢাকা সিটি কলেজ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী, খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী উত্তর সভাপতি মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার।