ঢাকা বার নির্বাচন
ইসি পুনর্গঠনের দাবিতে সবুজ প্যানেলের সংবাদ সম্মেলন
Printed Edition
ঢাকা আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে ‘নিয়ম ও রেওয়াজ’ ভঙ্গের অভিযোগ তুলে এবং বৈষম্য নিরসনে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ ল’ ইয়ার্স কাউন্সিল সমর্থিত ‘আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সবুজ প্যানেল’। গতকাল রোববার দুপুরে ঢাকা বার ভবনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ল’ ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট মো: জসীম উদ্দীন সরকার বলেন, ঢাকা বারের নির্বাচনে অতীতে যে নিয়ম ও ঐতিহ্য মেনে কমিশন গঠিত হতো, এবার তা পরিকল্পিতভাবে ভঙ্গ করা হচ্ছে। সাধারণ আইনজীবীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ফেরাতে অবিলম্বে সমান সংখ্যক সদস্য নিয়ে একটি নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করতে হবে। কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ অভিযোগ করেন, ঢাকা বারের ঐতিহ্য অনুযায়ী উভয় প্যানেলের সম্মতিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনোনীত হন এবং দুই পক্ষ থেকে পাঁচজন করে মোট ১০ সদস্যের কমিশন গঠিত হয়। কিন্তু ২০২৬-২৭ সেশনের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত ‘নীল প্যানেল’ থেকে সাতজন এবং সবুজ প্যানেল থেকে মাত্র তিনজন সদস্য নিয়ে কমিশন গঠন করা হয়েছে, যা চরম বৈষম্য। এ ছাড়া ১০০ সদস্যের সহায়ক কমিশনের ক্ষেত্রেও নীল প্যানেল থেকে ৭০ জন এবং সবুজ প্যানেল থেকে মাত্র ৩০ জনকে রাখা হয়েছে। এই পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন বহাল থাকলে নির্বাচনটি আইনজীবীদের কাছে প্রহসন হিসেবে বিবেচিত হবে।
সবুজ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন বলেন, ‘আমরা লিখিত ও মৌখিকভাবে কমিশন পুনর্গঠনের আবেদন জানালেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে। দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ব্যক্তিদের দিয়ে গঠিত এই কমিশনের কারণে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে আইনজীবীদের মনে গভীর সংশয় ও ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।’ সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ল’ ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ড. হেলাল উদ্দিন, নির্বাচন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক, সহসভাপতি পদপ্রার্থী মো: শহিদুল ইসলাম ও মো: লুৎফুর রহমান আজাদ, সেক্রেটারি পদপ্রার্থী মো: আবু বাক্কার সিদ্দিক এবং ট্রেজারার পদপ্রার্থী মো: আজমত হোসেনসহ প্যানেলের সকল নেতারা। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কমিশন পুনর্গঠন না করে নির্বাচন দেয়া হলে তা আইনি অঙ্গনে একটি কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে। বিজ্ঞপ্তি।