ইসরাইলের নজরদারিতে মার্কিন কমান্ড সেন্টার
Printed Edition
মিডল ইস্ট আই
দক্ষিণ ইসরাইলে নতুন মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ইসরাইলের ব্যাপক নজরদারি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্ররা। সোমবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রকাশিত এক খবরে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবরে বলা হয়েছে, গাজা সীমান্ত থেকে ১২ মাইল দূরে কিরিয়াত গাট শহরে অবস্থিত সিভিল-মিলিটারি কো-অর্ডিনেশন সেন্টারে (সিএমসিসি) ইসরাইলি সেনারা প্রকাশ্যে ও গোপনে বৈঠক ও আলোচনা রেকর্ড করছে। মার্কিন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল প্যাট্রিক ফ্রাঙ্ক তার ইসরাইলি সমকক্ষকে ডেকে বলেন, ‘এখানে রেকর্ডিং বন্ধ করতে হবে।’
অন্য দেশ থেকে আসা কর্মী ও অতিথিরাও ইসরাইলের এ ধরনের গোয়েন্দা কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিছু কর্মী ও অতিথিকে সতর্ক করা হয়েছে যেন তারা সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার না করেন, কারণ তা রেকর্ড হয়ে ফাঁস হতে পারে। মার্কিন সেনারা ইসরাইলি নজরদারি নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ইসরাইলি সেনারাও রেকর্ডিং বন্ধের দাবির বিষয়ে মন্তব্য করেনি। তবে তারা দাবি করেছে, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ নয়, বরং স্বচ্ছ ও সম্মত প্রক্রিয়ায় বৈঠক নথিভুক্ত করা হচ্ছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ১৭ অক্টোবর কেন্দ্রটি উদ্বোধন করা হয়। এটি গাজায় সহায়তা সমন্বয়ের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। সেন্টকম কমান্ডার ব্র্যাড কুপার বলেছেন, কেন্দ্রটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে।
ফিলিস্তিনিদের বাদ দেয়া
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা বিশেষজ্ঞদের গাজায় সহায়তা প্রবাহ বাড়াতে সিএমসিসি-তে পাঠিয়েছিল। কিন্তু ইসরাইলি বাধার কারণে তাদের কাজ ব্যাহত হয় এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনেকে চলে যান। কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, সিএমসিসিতে আলোচনার ফলে কিছু নিষিদ্ধ বা সীমিত সরঞ্জাম গাজায় প্রবেশের অনুমতি পেয়েছে, যেমন তাঁবুর খুঁটি, পানি বিশুদ্ধকরণের রাসায়নিক, স্কুলের জন্য কলম ও কাগজ। সিএমসিসিতে যুক্তরাজ্য ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সামরিক পরিকল্পনাকারীরা যুক্ত রয়েছেন। অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন কূটনীতিক ও মানবিক সহায়তাকর্মীরা। তবে ফিলিস্তিনি বেসামরিক ও মানবিক সংগঠন এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।