করাচিতে চীন-ভিয়েতনামের জাহাজ খালাসের অনুমতি
Printed Edition
ডন
চীন, ভিয়েতনামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চার মাস পর পাকিস্তানের করাচি বন্দরে আটকাপড়া পণ্যবাহী জাহাজগুলো খালাসের অনুমতি দিয়েছে ইসলামাবাদ। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসলেও, মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা ডনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত বছরের ১১ অক্টোবর পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার পর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং ট্রানজিট কার্গো চলাচল বন্ধ করে দেয় ইসলামাবাদ। এতে উভয় দেশের সীমান্ত হয়ে পণ্য চলাচল এবং কার্গো বোঝাই পণ্যবাহী জাহাজ করাচি বন্দরে আটকা পড়ে।
এমন পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদে নিযুক্ত চীন, ভিয়েতনাম ও মালেয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতরা মানবিক আবেদনের বিবেচনায় এনে রফতানি পণ্য পরিষেবা চালুর আহ্বান জানান। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় করাচি বন্দর থেকে এককালীন পণ্য ছাড়ের অনুমোদন দেয়।
দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা ডনকে বলেন, বেশিরভাগ চীন ও ভিয়েতনাম থেকে আসা পণ্যবাহী জাহাজগুলো করাচিতে আটকাপড়ে আছে। পুনঃরফতানির অনুমোদনের জন্য এই দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতরা সরকারের কাছে আবেদন করেছেন। এরপর সরকার সমস্ত আমদানিকারকদের করাচি থেকে তাদের পণ্যবাহী জাহাজ পুনঃরফতানির অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কাস্টমস কর্মকর্তার বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, আটকে থাকা কনটেইনারগুলোর মধ্যে প্রায় তিন হাজার মালয়েশিয়া থেকে আসা আফগানিস্তানে ভোজ্যতেল ব্যবহারের কাঁচামাল ছিল। একজন কাস্টমস কর্মকর্তা ডনকে জানিয়েছেন, আমরা ইতোমধ্যই বেশিরভাগ পাম তেল আমদানিকারকদের তাদের কনটেইনার পুনঃরফতানি করার জন্য চিঠি দিয়েছি। তবে পুনঃরফতানির জন্য অনুমোদিত পাম তেলের কনটেইনারের সংখ্যা নিশ্চিত করেন তিনি।