বিএনপি অফিস ভাঙচুর ও বিস্ফোরকের মামলায় কক্সবাজারের রামু উপজেলার ৫ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার এবং যুবলীগ সভাপতি আব্দুল্লাহ বিদ্যুৎকে গ্রেফতার করেছে রামু থানা পুলিশ।
শনিবার (১৫ মার্চ) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রামু এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিন ‘মাদকের সিন্ডিকেট গড়ে হাজার কোটি টাকার মালিক রুস্তম’ শিরোনামে দৈনিক নয়া দিগন্তে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনের পর পুলিশ বিদুৎকে গ্রেফতার করে।
এদিকে, এই প্রতিবেদনের পর কক্সবাজার জেলা থেকে অজ্ঞাত লোকজন সব পত্রিকা উধাও করে দেয়।
রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমন চৌধুরী নয়া দিগন্তকে বলেন, গ্রেফতার আব্দুল্লাহ বিদ্যুতের বিরুদ্ধে বিএনপি অফিস ভাঙচুর ও বিস্ফোরকের মামলা রয়েছে। আমরা কক্সবাজারের সবগুলো থানায় ম্যাসেজ দিয়েছি তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় কোনো হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলা রয়েছে কিনা।
‘সাবেক এমপি কমল ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রুস্তমের মূল ক্যাশিয়ার তিনি,’ জানান ওসি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গ্রেফতার আব্দুল্লাহ বিদ্যুৎ কক্সবাজারের সাবেক এমপি সাইমুম সারওয়ার কমল ও সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বৈষমষ্যবিরোধী আন্দোলনে সরাসরি গুলি করা রুস্তমের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত। রুস্তমের মাদকের সিন্ডিকেটের মূল হোতা ছিলেন এই বিদ্যুৎ।
স্থানীয়রা জানান, আব্দুল্লাহ বিদুৎ এক সময় মাছের ঘেরে বিদ্যুতের মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। ইয়াবা কারবার পাকাপোক্ত করতে বিদুৎকে ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি করা হয়। রুস্তমের টাকায় প্রায় ২ কোটি টাকা খরচ করে ইউপি সদস্য (মেম্বার) নির্বাচিত করেন। বর্তমানে রুস্তম বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় পলাতক থাকলেও রুস্তমের সহযোগীরা রয়েছে বহাল তবিয়তে। তাদেরই নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন মেম্বার আব্দুল্লাহ। বর্তমানে রুস্তমের সম্পদ দেখাশোনা থেকে শুরু করে মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে রুস্তমের টাকা পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে।