গৌরনদীর ইউএনওর আবেগঘন বিদায়
রোববার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বিদায় জানানো হয় আবদুল্লাহ খানকে।
স্থান
গৌরনদী
বরিশালের গৌরনদী উপজেলা মিলনায়তন যেন রূপ নিল এক আবেগঘন মিলনমেলায়। রোববার (২০ এপ্রিল) দুপুরে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা আর স্মৃতিময়তায় বিদায় জানানো হলো বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আবদুল্লাহ খানকে। আর একই দায়িত্বে আসেন নবাগত ইউএনও রিফাত আরা মৌরি।
মঞ্চের আবহ ছিল ব্যতিক্রম। কোথাও চোখের কোণে পানি, কোথাও প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা। সবার মুখে এক কথাই—"আবদুল্লাহ খান শুধু একজন প্রশাসক ছিলেন না, ছিলেন গৌরনদীর আপনজন।"
উপজেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও শিক্ষাক্ষেত্রের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখতে গিয়ে তুলে ধরেন বিদায়ী ইউএনওর কর্মযজ্ঞ ও মানবিকতার নানা দিক।
নিজের বিদায়ী বক্তব্যে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আবদুল্লাহ খান। তিনি বলেন, “গৌরনদী শুধু আমার কর্মক্ষেত্র ছিল না, ছিল আমার ভালোবাসার স্থান। এখানকার মানুষের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা আমার জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”
নবাগত ইউএনও রিফাত আরা মৌরিও শুরুতেই জনসেবার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তাঁর কণ্ঠে ছিল আত্মবিশ্বাস, চোখে ছিল উন্নয়নের স্বপ্ন। তিনি বলেন, “এই দায়িত্ব আমার কাছে শুধুমাত্র প্রশাসনিক কাজ নয়, এটি হলো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক মহান সুযোগ। আমি বিশ্বাস করি, সবার সহযোগিতায় আমরা গড়বো একটি সুন্দর, উন্নত ও মানবিক গৌরনদী।”
অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত হয় বিদায়ী ইউএনওর কর্মকাণ্ডের নানা দিক। ফুলেল শুভেচ্ছা, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্রের মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। এ সময় অনেককেই চোখ মুছতে দেখা যায়।