শিল্প-সংস্কৃতিকেন্দ্র ও গণমাধ্যমে হামলার প্রতিবাদ
Printed Edition
প্রথম আলো, ডেইলি স্টার এবং ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনে আক্রমণ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ।
গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এসব ঘটনার নিন্দা জানানো হয়। এতে বলা হয়, সরকারপ্রধানসহ দেশের নানা স্তরের মানুষ এই ঘটনার নিন্দা করে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দানের কথা বলেছেন। ধারাবাহিকভাবে একাদিক্রমে সঙ্গীত শিল্পচর্চা ও উদার অসাম্প্রদায়িক চেতনাবহ প্রতিষ্ঠানের ওপর এমনি আক্রমণের মুখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও তা প্রতিরোধে ব্যর্থতা আমাদের বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন করে।
বাংলার ঐতিহ্যবাহী বাউল সম্প্রদায়ের ওপর আঘাত, ঠাকুরগাঁওয়ে মাজারে ভাঙচুর, ভালুকায় দীপু চন্দ্র দাসের পৈশাচিক হত্যাসহ সংখ্যালঘু নির্যাতন ইত্যাদি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং দেশ ও সমাজকে বিভাজিত করে সাংস্কৃতিক বন্ধ্যত্ব ও অন্ধতার দিকে ঠেলে দেয়ার সমন্বিত ও পরিকল্পিত প্রয়াসেরই অংশ। বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ করেছি সংস্কৃতির ওপর আঘাতের প্রতিবাদে সঙ্গীতের মাধ্যমে সংহতি প্রকাশে চট্টগ্রামের শিল্পীসমাজের উদ্যোগ পুলিশের অসহযোগিতা ও বাধার কারণে আয়োজিত হতে পারেনি। একদিকে গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর আক্রমণ প্রতিরোধে প্রশাসনের ব্যর্থতা এবং অন্যদিকে শৈল্পিক প্রতিবাদ ও সংহতি প্রকাশে অসহযোগিতা ও বাধাদান অশুভ প্রবণতার ইঙ্গিত বহন করে।
আমরা দেশবাসীর সাথে মিলে সাম্প্রতিক হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি।
সেই সাথে শিল্পের চর্চা ও বিকাশের মাধ্যমে অন্ধতার বিরুদ্ধে দেশের মানুষের উদ্যোগের প্রতি প্রশাসনের ইতিবাচক অবস্থান ও ভূমিকা পালন কামনা করি। বিজ্ঞপ্তি।