ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে বিক্ষোভ

Printed Edition

রাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা ও ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) এবং হল সংসদের নেতারা। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় রাকসু কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম, মহানগরী দক্ষিণের সহকারী মিডিয়া সম্পাদক আশরাফুল আলম ইমন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগরী পূর্ব সেক্রেটারি ও ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, পল্টন থানা আমির অ্যাডভোকেট মারুফুল ইসলাম, শাহবাগ পশ্চিম থানা আমির অ্যাডভোকেট শাহ মাহফুজুল হক প্রমুখ।

পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, সন্ত্রাসীদের পরিচয় যাই হোক তাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই, থাকতে পারে না।

যদি সরকার এই ঘটনার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার না করে তবে প্রমাণ হয় সরকার সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা। শাহবাগ থানা পুলিশ সন্ত্রাসীদের সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে উল্লেখ করে তিনি শাহবাগ থানার ওসি-সহ ঘটনার সময় থানায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের বিচারের দাবি জানান। তিনি বলেন, এই ঘটনা কোনো ছোটখাটো ঘটনা নয়। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত প্রত্যেকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, কারা ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের খবর দিয়ে থানায় এনে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে?

তিনি বলেন, একটি ফেইক নিউজকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্রকে হুমকি দেয়া হয়েছিল। সেই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে ওই ছাত্র তার দুই বন্ধুকে সাথে নিয়ে শাহবাগ থানায় জিডি করতে গিয়েছিল।

কিন্তু পুলিশ তার জিডি গ্রহণ না করে তাদেরকে থানার ভেতরে দেড় ঘণ্টা বসিয়ে রাখে এবং পরবর্তীতে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা থানায় এসে পুলিশের উপস্থিতিতে ডাকসু নেতাদের ওপর হামলা চালায়। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ঘটনার সময় সাংবাদিকেরা সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা সাংবাদিকদের ওপরও হামলা চালিয়ে ১২ জন সাংবাদিককে আহত করে। যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত করার শামিল। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনতে সরকারের প্রতি দাবি জানান।