স্বাধীনতা দিবসের আগেই বদলি হয়েছিলেন মহেশপুরের ইউএনও
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তারের বদলির খবর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক না বলায় তাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হলেও প্রকৃতপক্ষে ওই কর্মকর্তাকে আগেই বদলি করা হয়।
জানা গেছে, স্বাধীনতা দিবসের এক দিন আগেই অর্থাৎ ২৫ মার্চ খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে তার বদলির আদেশ জারি করা হয়।
বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান চলাকালে বিএনপির প্রতিবাদ ও অনুষ্ঠান বর্জনের পরপরই ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে যে, জিয়াউর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ না বলায় ইউএনওকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে ইউএনও খাজিদা আক্তারের ছবি এবং বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করে সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। কেউ কেউ এই আদেশ প্রত্যাহারের দাবিও করছেন।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই বদলি কোনো আকস্মিক ঘটনা বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছিল না। খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে গত বুধবার মাঠ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদলের অংশ হিসেবে ১০টি উপজেলায় নতুন ইউএনও পদায়ন ও বদলির আদেশ জারি করা হয়। সেই তালিকাতেই খাদিজা আক্তারকে মহেশপুর থেকে বাগেরহাটের চিতলমারীতে বদলি করা হয়েছিল।
খুলনার বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা যায়, বুধবার (২৫ মার্চ) দুটো আদেশে ১০ জন ইউএনওকে বদলি করা হয়। বিভাগীয় কমিশনারের পক্ষে বদলির আদেশে স্বাক্ষর করেছেন সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো: আমিরুল আরাফাত।