তামিম ইকবালকে নিয়ে আশাবাদী সুজন
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে পদত্যাগ করেন খালেদ মাহমুদ সুজন। দীর্ঘ ১১ বছর বিসিবির পরিচালক ও গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগের পর গত ২১ মাস আর বিসিবিতে যাননি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক এই অধিনায়ক। নতুন এডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের ডাকে গত পরশু আবার বিসিবিতে হাজির হন তিনি। গণমাধ্যমে গতকাল তামিমকে নিয়ে আশার কথা শোনান সুজন।
তামিমের সাথে কোনো মিটিংয়ের উদ্দেশে বিসিবিতে যাননি, গণমাধ্যমকে এমনটাই জানালেন সুজন। ‘আসলে তামিম ফোন করে বলেছিল আপনি বোর্ডে আসেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কেন সিসিডিএমের মিটিংয়ে নাকি? ও বলল মিটিং না, আপনি আমার সাথে দেখা করতে আসেন। আপনার সাথে আমার অনেক কথা আছে।’
তামিমের ডাক ফেরাতে পারেননি সুজন, ‘এমনিতেও ওর সাথে যোগাযোগ ছিলই। কিন্তু এই প্রথম বোর্ড ছাড়ার পর কোনো সভাপতি ফোন করে যখন ডাকছে, তখন তো আমি না করতে পারি না। এ জন্যই যাওয়া। প্রায় ২১ মাস পর মনে হয় বোর্ডে গেলাম। মূলত, তামিমের সাথে দেখা করতে গেছি।’
তামিমের সাথে ক্রিকেট নিয়েই কথা হয়েছে সুজনের। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট নিয়েই কথা হচ্ছিল। দিন শেষে যখন আমরা ক্রিকেটাররা বসি, তখন ক্রিকেট নিয়েই কথা হয়। ওইখানে আরো অনেক ক্রিকেটার ছিল। শাহরিয়ার নাফিস, মিঠুন, রাজ, মুকুল, রাহুল, নান্নু ভাই ছিল, আরো অনেকে ছিল।’
তামিমের সভাপতিত্ব নিয়ে ইতিবাচক সুজন বলেন, ‘যেহেতু তামিম অনেক বেশি রোমাঞ্চিত, অবশ্যই ও ভালো কিছু করতে চায়। আমি বিশ্বাস করি আমরা একজন ভালো সভাপতি পাব। সত্যি কথা যে কাজগুলো আমরা এতদিন মুখে মুখে বলেছি; কিন্তু করি নাই। তামিম সেগুলো করে দেখাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি তামিমকে ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি। ও ক্রিকেট নিয়ে যতটা সিরিয়াস ছিল, অনুশীলন নিয়ে যতটা সিরিয়াস ছিল, আমার মনে হয় ওই স্পিরিটটা এখানেও (বিসিবি সভাপতি হিসেবে) বজায় রাখছে। ও খুবই সিরিয়াস।’
তিনি যোগ করেন, ‘যেহেতু আমি ক্রিকেটের মানুষ, ১৩-১৪ বছর বয়স থেকে ক্রিকেট খেলছি, ক্রিকেট মাঠ ছাড়িনি। ক্রিকেট খেলা ছাড়ার পর কোচিংয়ে এসেছি, সংগঠক হিসেবে আমি এত বছর ধরে কাজ করছি। আমার অভিজ্ঞতা যদি তামিম চায়, অবশ্যই এটা না করার কিছু নেই।’
এ দিকে সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে নেতিবাচক প্রচারনা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গত পরশু সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব অভিযোগ করেন তিনি।