শৈলকূপায় বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬০

Printed Edition
bangla-4
সৈয়দপুরে বিএনপির ইফতার মাহফিলে বক্তব্য রাখেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু : নয়া দিগন্ত

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার চরগোলক নগর গ্রামে ভিজিএফ কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের দুই নেতার বাগি¦তণ্ডার জেরে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া তিন ঘণ্টাব্যাপী এই রণক্ষেত্রে উভয়পক্ষের অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালীন বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরগোলক নগর গ্রামে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সায়েম মন্ডলের কাছে ভিজিএফ কার্ড বিতরণ নিয়ে কথা বলতে যান যুবদল নেতা শামীম। শামীম তার সমর্থকদের জন্য কিছু কার্ড দাবি করলে সায়েম মণ্ডলের সাথে তার তীব্র বাগি¦তণ্ডা শুরু হয়। শামীমের অভিযোগ, এ সময় সায়েম মণ্ডলের লোকজন তাকে মারধরের হুমকি দিয়ে খুঁজতে থাকে।

ঘটনা মীমাংসার জন্য দুপুরে পুলিশ এলাকায় আসে এবং সন্ধ্যায় স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা বৈঠক বসে। অভিযোগ রয়েছে, বৈঠক শেষে বাড়ি যাওয়ার সময় সায়েম মণ্ডলের লোকজন শামীমের সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালালে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে পুরো গ্রাম রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে গ্রামের বেশ কিছু বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ হিমশিম খেলে পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

যুবদল নেতা শামীম বলেন, ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে সায়েম মণ্ডলের কাছে অনেকগুলো কার্ড ছিল। আমি আমার কিছু সমর্থকের জন্য কার্ড চাইলে তিনি আমার সাথে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেন এবং তার লোকজন আমাকে হুমকি দেয়।

অন্য দিকে ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি সায়েম মণ্ডল পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী সবাইকে কার্ড ভাগ করে দিয়েছি। কিন্তু শামীম যুবদল করে, সে আমার সাথে মূল দল (বিএনপি) করে না, তাই তাকে কার্ড দিইনি।