এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন পেশাজীবীরা
Printed Edition
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
সারা দেশে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জুলাইয়ের মুখসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নাগরিকরা। এরই ধারাবাহিকতায় এনসিপিতে এবার যোগ দিয়েছেন অনেকে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে যোগদান করেন তারা।
এ দিন যোগদান করেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ড. মোহাম্মদ নাদিমুর রহমান, ফরায়েজি আন্দোলনের নেতা হাজী শরিয়াতুল্লাহর বংশধর আবদুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন, গাজীপুরের শিক্ষানুরাগী এ বি এস আরিফ, জুলাইয়ের আহত যোদ্ধাদের সংগঠন ওয়ারিয়র্স অব জুলাইয়ের সভাপতি মো: সালমান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান জিসান, সহসভাপতি মো: আতিকুল ইসলাম গাজীসহ অন্যান্য নেতা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ প্রমুখ।
এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, আমরা সরকারি দল থেকে প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলাম যে তারা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু এখন দেখছি তারা জাতির সাথে প্রতারণা করেছে। বিগত দিনে যারাই জনগণের সাথে রাজনৈতিক প্রতারণা করেছে, তারা বেশিদিন টিকতে পারেনি। বাংলাদেশের জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে জানে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যেমন সারা দেশে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছিলেন, তারেক রহমান ঠিক এরশাদের মতোই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চাচ্ছেন। বিএনপি বিগত ১৭-১৮ বছর গণতন্ত্রকে একমাত্র রাজনীতির বস্তু হিসেবে ব্যবহার করে নির্বাচিত হওয়ার পরপর গণতন্ত্র ভুলে গেছে। তারা এখন সব জায়গায় ধরে ধরে নিজেদের লোক বসিয়ে দিয়েছেন। যারা জনপ্রতিনিধি হতে ব্যর্থ হয়েছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন এবং যারা নির্বাচনে মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন তাদের দিয়ে এখন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো চালানোর পাঁয়তারা চলছে। এই পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘স্থানীয় সরকারের যে অচল অবস্থা আছে, সেটি ভেঙে জনগণকে জনগণের যে সেবার যে কাজ সেটি অব্যাহত রাখতে স্থানীয়ভাবে নির্বাচন আয়োজন করুন। নইলে এরশাদের মতো দেশ চালালে এরশাদের মতোই পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে সেটিও মাথায় রাখবেন।’
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, সেখানে উগ্রপন্থীরা ক্ষমতায় আসায় আগামীতে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে শঙ্কা আছে। তবে আমরা তাদের আহ্বান জানাতে চাই, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আপনারা কথা না বললেই ভালো। আমাদের বিষয় দেখার জন্য আমরাই যথেষ্ট।