সাশ্রয়ী হতে পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
সকালে সচিবালয়ে এসেই ৭ মন্ত্রণালয়ে ঝটিকা পরিদর্শন
Printed Edition
নিজস্ব প্রতিবেদক
সকালে সচিবালয়ে এসেই সাত মন্ত্রণালয় ঝটিকা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল রোববার প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে এসে এই পরিদর্শনে যান বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ে আসেন। এর পর পরই তিনি এই পরিদর্শনে যান। প্রথমে তিনি ৬ নং ভবনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে যান, সেখানে বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে কথা বলেন। এ সময় অপচয় রোধ এবং সাশ্রয়ী হতে বিভিন্ন পরামর্শ দেন।
প্রধানমন্ত্রী তাদের বিদ্যুতের অপচয় রোধে লাইট কম ব্যবহার, খরচ কমাতে এসি (শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র) কম ব্যবহার অথবা নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় ব্যবহার করা, জানালার পর্দা সরিয়ে দিনের আলোর ব্যবহার ইত্যাদির বিষয়ে পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বলেছেন, দেশকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসতে হলে বুকে ধারণ করতে হবে। এই দেশ আপনাদের-আমাদের সবার।
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে গিয়ে টেবিল-চেয়ার, আসবাপত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং যন্ত্রপাতি দেখভালের পরামর্শ দেন তিনি ।
এরপর একে একে প্রধানমন্ত্রী পানি সম্পদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, পরিবেশ ও বন, সমাজ কল্যাণ, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত এই সাতটি মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
প্রধানমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে অনেক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তৎপর হয়ে উঠতে দেখা যায়। যেসব মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শন করেন সেগুলোর কয়েকটিতে কর্মকর্তারা উপস্থিত হতে না হতেই এই ঘটনা ঘটে।
প্রধানমন্ত্রী ‘ঝটিকা’ এই পরিদর্শনের পর নিজের দফতরে এসে কৃষি কার্ড সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভায় বৈঠকে বসেন। কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
দেশের প্রান্তিক কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে এবং উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আগামী ১৪ এপ্রিল (পয়লা বৈশাখ) থেকে বিশেষ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে উপস্থিত থেকে এই কৃষক কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। একই দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।