কুদস দিবসের আলোচনায় বক্তারা

খামেনি ছিলেন মানুষের অধিকার রক্ষার বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর

Printed Edition
3rd-4
বিএমএ মিলনায়তনে হজরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনী (রহ:)-এর শাহাদত ও আন্তর্জাতিক আল কুদস দিবস শীর্ষক আলোচনা সভায় অতিথিরা : নয়া দিগন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

আল-কুদস কমিটি বাংলাদেশের উদ্যোগে গতকাল বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) মিলনায়তনে আয়াতুল্লাহ খামেনির শাহাদত ও আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি জাহানাবাদি। অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন- ইরান দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর সাইয়্যেদ রেজা মীর মোহাম্মদী, ইস্টার্নপ্লাস জামে মসজিদের খতিব মাওলানা রুহুল আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ অধ্যাপক ড. মো: আবুল কালাম সরকার, লেখক সারওয়ার তুষার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রাশেদ আলম ভূঁইয়া। উদ্বোধনী বক্তৃতা করেন অ্যাডভোকেট এ কে এম বদরুদ্দোজা। সভাপতিত্ব করেন আল-কুদস কমিটি বাংলাদেশের সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ কাওসার মোস্তফা আবুলউলায়ী।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আজ পবিত্র রমজান মাসের পবিত্র পরিবেশে মুসলিম উম্মাহ গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে স্মরণ করছে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাতকে এবং একই সাথে পালন করছে আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস। এই দিনটি মুসলিম বিশ্বের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এটি বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের ঐক্য, ন্যায়বিচার এবং নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থনের প্রতীক। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন ইসলামী মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার এবং নিপীড়িত মানুষের অধিকার রক্ষার এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তার সংগ্রামী জীবন, নেতৃত্ব এবং আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মাহকে অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা জোগায়।