ম্যাক্রোঁর সমালোচনায় টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা

Printed Edition
onno-3
ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও পাভেল দুরভ

আনাদোলু

ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) ‘ডিজিটাল গুলাগ’ বা সোভিয়েত আমলের বাধ্যতামূলক শ্রমশিবিরের মতো ব্যবস্থায় পরিণত করার অভিযোগ তুলেছেন টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভ। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে লক্ষ্য করে তিনি এই কঠোর মন্তব্য করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে দুরভ এসব কথা বলেন। এর আগে গত বুধবার ম্যাক্রোঁ যুক্তরাষ্ট্রের একটি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছিলেন, যেখানে ইইউর সাবেক কমিশনার থিয়েরি ব্রেটনসহ অন্য অপতথ্যবিরোধী প্রচারণাকারীদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। দুরভ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ইইউর সেন্সরশিপ আইনের স্থপতি হিসেবে পরিচিত ব্রেটন মূলত ম্যাক্রোঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তার দ্বারাই নিয়োগপ্রাপ্ত।

টেলিগ্রাম প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘জনপ্রিয়তা তলানিতে ঠেকায় ম্যাক্রোঁ অনলাইনে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছেন। সেন্সরশিপ (ডিএসএ) ও ব্যাপক নজরদারির (চ্যাট কন্ট্রোল) মাধ্যমে তিনি পুরো ইইউকে একটি ডিজিটাল গুলাগে পরিণত করছেন।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, ম্যাক্রোঁ এর আগে বলেছিলেন তথ্যের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ইউরোপীয়রা ‘সম্পূর্ণ ভুল’ করছে। ফরাসি প্রেসিডেন্টের মতে, সাধারণ মানুষের উচিত সাংবাদিক ও প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর নির্ভর করা। গত মার্চ মাসে দুরভ জানিয়েছিলেন যে, তিনি ফ্রান্স ত্যাগ করেছেন। সেখানে তিনি তদন্তের অধীনে থাকলেও বিচারিক অনুমতি নিয়ে দুবাই ফিরে আসেন। ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ) হলো ইইউর একটি ব্যাপক আইন, যা বড় প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে অবৈধ ও ক্ষতিকর কনটেন্ট কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করে। অন্য দিকে ইউরোপীয় কমিশনের ‘চ্যাট কন্ট্রোল’ পরিকল্পনাটি এনক্রিপশন ভেঙে ব্যবহারকারীদের ওপর ব্যাপক নজরদারি চালানোর সুযোগ তৈরি করবে বলে অভিযোগ রয়েছে।