চোখের যতেœ কী করবেন?
Printed Edition
এখন অনেকেই কম্পিউটারে, মোবাইলে বা টিভির স্ক্রিনের দিকে একনাগাড়ে তাকিয়ে থাকেন। ফলে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম সময় চোখের পাতা ফেলা হয়। এর কারণে চোখের মণি ও চারপাশের পেশিতে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়। দীর্ঘক্ষণ পড়াশোনা, একটানা ড্রাইভিং বা অফিসে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে বসে থাকার কারণ যাই হোক না কেন, চোখের বিশ্রাম ভীষণভাবে প্রয়োজন।
চোখের ক্লান্তি কাটাতে কয়েকটি বিষয়ের দিকে দৃষ্টি দিতে পারেন। খেয়াল করুন মাঝে মধ্যেই আপনার চোখ শুকনো লাগছে কি না? কিংবা চোখের মণি ভারী হয়ে আসছে কি না? এই ছোটখাটো অস্বস্তিগুলোই কিন্তু বড় বিপদের লক্ষণ।
কেন ক্লান্ত হচ্ছে চোখ?
একনাগাড়ে কোনো স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে, স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম সময় চোখের পাতা ফেলা হয়। এর ফলে চোখের মণি ও চারপাশের পেশিতে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়। দীর্ঘক্ষণ পড়াশোনা, একটানা ড্রাইভিং বা অফিসে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে বসে থাকা কারণ যাই হোক না কেন, চোখের বিশ্রাম ভীষণভাবে প্রয়োজন।
কিভাবে চোখের ক্লান্তি কাটাবেন?
চোখের ক্লান্তি মেটাতে চটজলদি আরাম দেয় কোল্ড কমপ্রেস। এটি চোখের ফোলাভাব কমাতে দারুণ কার্যকরী। পদ্ধতি : বাজার থেকে জেল প্যাক কিনে ব্যবহার করতে পারেন। অথবা বাড়িতেই পাতলা পরিষ্কার কাপড় ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে চিপে নিন। এরপর চোখ বন্ধ করে ৮ থেকে ১০ মিনিট চোখের ওপর দিয়ে রাখুন। নিমেষেই মিলবে আরাম।
তালুর ভাপ : কাজের মাঝখানে যখনই চোখ ক্লান্ত লাগবে, তখনই হাতের তালুর সাহায্য নিতে পারেন। দুই হাতের তালু একে অপরের সাথে ঘষে হালকা গরম করে নিন। এরপর চোখ বন্ধ করে আলতো করে তালু জোড়া চোখের ওপর রাখুন। মনে রাখবেন, খুব জোরে চাপ দেবেন না। এই উষ্ণতা চোখের পেশিকে রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে।
ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক সমাধান : রান্নাঘরে থাকা সাধারণ কিছু জিনিসও আপনার চোখের জন্য আশীর্বাদ হতে পারে।
শসা : শসা কুচি করে বা গোল সøাইস করে চোখের ওপর রাখলে জ্বালাভাব ও চোখের নিচের কালি কমে।
অ্যালোভেরা ও গ্রিন টি : ব্যবহার করা ঠাণ্ডা গ্রিন টি ব্যাগ বা টাটকা অ্যালোভেরা জেল চোখের সতেজতা ফেরাতে অব্যর্থ।
মেনে চলুন ২০-২০-২০ নিয়ম : বিশেষজ্ঞরা চোখের সুরক্ষায় একটি বিশেষ সূত্রের কথা বলেন, যাকে বলা হয় ‘২০-২০-২০ রুল’। নিয়মটি হলো : প্রতি ২০ মিনিট অন্তর স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে ২০ ফুট দূরে থাকা কোনো বস্তুর দিকে অন্তত ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকুন। এতে চোখের ফোকাস করার পেশিগুলো বিশ্রাম পায়।
যদি অনবরত মাথাব্যথা, চোখ লাল হওয়া বা ঝাপসা দেখার সমস্যা থাকে, তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি। ইন্টারনেট।