ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ ইউরোপকে দুর্বল করছে : এরদোগান

Printed Edition

দ্য গার্ডিয়ান

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধ পরোভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দুর্বল করছে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান। গত বুধবার জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টাইনমায়ারের সাথে এক ফোনালাপে তিনি এই আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেন। তুর্কি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে দেয়া বিবৃতির বরাতে এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে।

এরদোগান মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা কেবল এই অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর প্রভাব বৈশ্বিক রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ইউরোপের ওপরও পড়তে শুরু করেছে। জার্মান প্রেসিডেন্টের সাথে আলাপকালে এরদোগান বলেন, “আমাদের অঞ্চলে চলমান এই যুদ্ধ একইভাবে ইউরোপকেও দুর্বল করে দিচ্ছে। আমরা যদি শান্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই পরিস্থিতির সমাধান করতে না পারি, তবে সঙ্ঘাতের ফলে সৃষ্ট য়তির পরিমাণ ভবিষ্যতে আরো বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।” মূলত সঙ্ঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে ইউরোপীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা হুমকিতে পড়বে বলে তিনি সতর্ক করেন।

তিনি বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুদ্ধের বিস্তৃতি রোধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় এই সঙ্ঘাতের অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক নেতিবাচক প্রভাব থেকে ইউরোপের দেশগুলোও রেহাই পাবে না। বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, তুরস্ক শুরু থেকেই এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পে অবস্থান নিয়েছে। এরদোগানের মতে, জ্বালানি সঙ্কট এবং শরণার্থী সমস্যার মতো বিষয়গুলো ইউরোপের স্থিতিশীলতাকে সরাসরি হুমকির মুখে ফেলছে, যা এই যুদ্ধেরই পরো ফল। আঙ্কারা মনে করে, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদপেগুলো মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা তৈরি করছে, যা শেষ পর্যন্ত ইউরোপীয় দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিতে বড় ধরনের সঙ্কট তৈরি করবে। তাই অবিলম্বে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন।