অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের উৎস গাজর

Printed Edition

শরীরের জন্য নানা কারণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দরকার পড়ে। কিভাবে কাজ করে এ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট? মানুষের দেহের কোষগুলোয় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রকম রাসায়নিক বিক্রিয়া চলছে। অত্যাবশ্যক এসব বিক্রিয়ার কারণে মুক্ত মৌল (ফ্রি রেডিক্যাল) তৈরি হয় এবং তারা দেহে জমা হতে থাকে। সামান্য পরিমাণ মুক্ত মৌল হয়তোবা তেমন ক্ষতিকর না-ও হতে পারে। তবে যখন বয়স বাড়ে এবং বেশি পরিমাণ মুক্ত মৌল জমা হয় দেহে, তখন সেগুলো দেহ-কোষের ধ্বংস বা মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দেহের যেসব কোষ যেমন- মুখের ভেতরের মিউকাস স্তরের কোষ ও পাকস্থলীর আবরণী কোষ ইত্যাদি স্বল্প সময়ে প্রতিস্থাপিত হওয়ার সামর্থ্য রাখে তাদের বেলায় মুক্ত মৌলঘটিত কোষ-মৃত্যু তেমন বড় কোনো ক্ষতি করতে পারে না। তবে যেসব কোষ যেমন- স্নায়ুকোষ, হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশি ইত্যাদি খুবই ধীরে ধীরে প্রতিস্থাপিত হয় বা আদৌ প্রতিস্থাপিত হতে পারে না তাদের প্রতিটি কোষের মৃত্যুই ক্ষতির কারণ হয়। বেশি মাত্রায় এমন কোষের মৃত্যু বা ধ্বংস ঘটলে দেহে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে।

কোথায় মেলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট? গাজর এমন একটি সবজি, যা কাঁচা কিংবা রান্না দুই ভাবেই খাওয়া যায়। এতে থাকা ভিটামিন এ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে এবং বলিরেখা ও ব্রন প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ ছাড়া গাজর কম ক্যালরিযুক্ত ও ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

আবার গাজর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এতে থাকা ভিটামিন সি শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি করে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। গাজরের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট লিভার থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে এবং লিভারের কোষ মেরামত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ইন্টারনেট।