রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ নিহত ২

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মধ্য বাড্ডা ইউলুপের ব্রিজে সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মো: ফাহিম হোসেন নামে মোটরসাইকেল আরোহী এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরেকজন। দুর্ঘটনার পর গতকাল বেলা সাড়ে ৩টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা মোহাম্মদ বাদশা জানান, মধ্য বাড্ডা ইউলুপের ব্রিজে সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক গুরুতর আহত হন। পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢামেকে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মানিব্যাগ থেকে ৩৫০ টাকা ও আইএফআইসি ব্যাংকের ডেবিট কার্ড পাওয়া যায়।

নিহতের ভাই মামুন জানান, মো: ফাহিম হোসেন স্থানীয় একটি স্কুলে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল। আমাদের নিজ বাসা উত্তর বাড্ডার হোসেন মার্কেট এলাকায়। বাবা মো: হালিম মিয়া। আমরা দুই ভাই এক বোন। ফাহিম ছিল সবার ছোট। আমার মা সুমি বেগমের আইএফআইসি ব্যাংকের তার ডেবিট কার্ড আনার জন্য এক বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেল করে বাসায় ফেরার পথে ফাহিম এই দুর্ঘটনার শিকার হয়।

এ দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ রেলগেট এলাকায় তিশা পরিবহনের বাসের ধাক্কায় তাসলিমা আক্তার শাহিনুর (৩৪) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। গত সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্বামী রশিদ বাপ্পি জানান, আমার স্ত্রী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় বাপের বাড়ি বংশালের মহরটোলি থেকে বাসায় ফিরছিল। পথে সায়েদাবাদ রেললাইনের সামনে উল্টো দিক দিয়ে অটোরিকশা চলার সময় দ্রুতগামী তিশা পরিবহন ধাক্কা দেয়। এতে আমার স্ত্রী গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত ঢামেকে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অন্য দিকে রাজধানীর মতিঝিলের বঙ্গভবন এলাকায় শিকড় পরিবহন বাসের ধাক্কায় মোটরবাইক আরোহী মোহাম্মদ সুজন (৪০) নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিলে ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) ভর্তি করা হয়।

স্ত্রী আয়েশা আক্তার জানান, সুজন বঙ্গভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় শিকড় পরিবহন মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে আমার স্বামী গুরুতর আহত হন। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে। তিনি ওসেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমার স্বামী বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরি করেন। বাসা বনশ্রীতে।