যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসায় যাচাই করা হবে সামাজিক মাধ্যম
Printed Edition
এনডিটিভি
ভিসা প্রক্রিয়ায় নতুন কড়াকড়ি আরোপ করছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামীকাল ৩০ মার্চ থেকে এইচ-১বি ভিসাসহ একাধিক ক্যাটাগরির আবেদনকারীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নন-ইমিগ্রান্ট ভিসার একটি বড় অংশ এই নতুন প্রক্রিয়ার আওতায় আসবে। এর মধ্যে রয়েছে-এ-৩ ও সি-৩ এর আওতায় আছেন গৃহকর্মী বা ডোমেস্টিক ওয়ার্কার। জি-৫, এইচ-৩ এর আওতায় আছেন প্রশিক্ষণার্থী। এইচ-৪ এর আওতায় আছেন এইচ-৩ ভিসাধারীদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি। কে ভিসার আওতায় আছে বাগ্থদত্তা বা স্পাউস ক্যাটাগরি। এ ছাড়া অন্যান্য কিউ, আর, এস, টি এবং ইউ ক্যাটাগরির ভিসার ক্ষেত্রেও এই নিয়ম কার্যকর হবে।
নতুন নিয়মে আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ‘পাবলিক’ বা সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। কনস্যুলার কর্মকর্তারা ব্যাকগ্রাউন্ড চেক বা পটভূমি যাচাইয়ের সময় আবেদনকারীর অনলাইন কনটেন্ট, অ্যাক্টিভিটি এবং অন্যান্য ডিজিটাল রেকর্ড পরীক্ষা করবেন। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, এ-৩, সি-৩, জি-৫, এইচ-৩, এইচ-৪, কে-১, কে-২, কে-৩, কিউ, আর-১, আর-২, এস, টি, ইউ, এইচ-১বি, এইচ-৪, এফ, এম এবং জে ভিসার সব আবেদনকারীকে তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘ওপেন’ রাখতে হবে।
সংশ্লিষ্ট মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এটি ভিসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে আরো বেশি তথ্য যাচাই প্রচেষ্টার অংশ। তারা বলেন, ভিসা স্ক্রিনিংয়ের সময় আমরা সব ধরনের তথ্য যাচাই করি, যাতে এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করা যায় যারা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুনে স্টুডেন্ট ও এক্সচেঞ্জ ভিসা (এ এম ও জে) এবং ডিসেম্বরে এইচ-১বি কর্মীদের জন্য এই ব্যবস্থা আগেই আংশিক চালু হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়া যাচাইয়ের পাশাপাশি মার্কিন শ্রম বিভাগ বিদেশী কর্মীদের ন্যূনতম বেতন বাড়ানোরও প্রস্তাব দিয়েছে। এইচ-১বি, এইচ-১বি১, ই-৩ এবং পার্ম প্রোগ্রামের আওতায় ‘প্রিভেইলিং ওয়েজ’ বা প্রচলিত মজুরি কাঠামো পরিবর্তনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২০ বছরেরও বেশী সময় ধরে অপরিবর্তিত থাকা চার স্তরের এই মজুরি ব্যবস্থা আপডেট করা হলে বিদেশী কর্মীদের গড় বার্ষিক বেতন প্রায় ১৪ হাজার ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে।