গণতান্ত্রিক রূপান্তরে ধৈর্য ও সহনশীলতার প্রয়োজন : ঢাবি ভিসি
Printed Edition
‘এমপাওয়ারিং ট্রানজিশন, বিল্ডিং ডেমোক্র্যাসি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো গণতন্ত্র বিষয়ক আন্তর্জাতিক আন্তঃবিষয়ক সম্মেলন সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে শুরু হয়েছে। পলিটিক্যাল অ্যান্ড পলিসি সায়েন্স রিসার্চ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলন আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, গণতন্ত্র কোনো চূড়ান্ত গন্তব্য নয়, বরং এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।
এই প্রক্রিয়ায় অনিশ্চয়তা স্বাভাবিক, তবে ধৈর্য ও সহনশীলতার মাধ্যমেই একটি টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বাস্তবতায় গণতান্ত্রিক রূপান্তর মানে রাজনৈতিক ও সামাজিক অনিশ্চয়তার সাথে মোকাবেলা করা, যার কোনো সহজ বা তাৎক্ষণিক সমাধান নেই।
ভিসি আরো বলেন, নির্বাচন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের স্থায়িত্ব, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোতে সমাধান খুঁজতে হলে বহুমাত্রিক ও আন্তঃবিষয়ক আলোচনার প্রয়োজন। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন গণতন্ত্রকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে বোঝার সুযোগ তৈরি করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্মেলন দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ প্রক্রিয়াকে নতুনভাবে মূল্যায়নের পাশাপাশি একটি দীর্ঘমেয়াদি বুদ্ধিবৃত্তিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো: রেজাউল করিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমান। সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংস্থার সভাপতি ও সম্মেলনের আহ্বায়ক অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। উদ্বোধনী পর্বে বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ভিডিও বার্তায় বক্তব্য প্রদান করেন।
আয়োজকরা জানান, সম্মেলনের জন্য জমা পড়া প্রায় ১৬৫টি গবেষণাপত্রের মধ্য থেকে বাছাই করে ৬৭টি প্রবন্ধ উপস্থাপনের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এতে অনলাইনে ও সরাসরি অংশগ্রহণ করছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা। বিজ্ঞপ্তি।