৮ বছর হামের টিকা কার্যক্রমে বড় ধরনের ঘাটতি ছিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
Printed Edition
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, যত সঙ্কটই থাকুক, স্বাস্থ্যখাতে কোনো প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি মেনে নেয়া হবে না। স্বাস্থ্যখাতে নানা সঙ্কট রয়েছে। এগুলো ঠিক করতে সবার সহযোগিতা লাগবে। তবে আমরা কোনো দুর্নীতি মেনে নেব না। দুর্নীতি রোধে সবার সহযোগিতা চাই।
গতকাল রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ১৭তম এশিয়া ফার্মা এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন। বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতি এ প্রদশনীর আয়োজন করেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও যদি আমরা করব করব বলি, তাহলে দেশের পতাকাকে কারা এগিয়ে নেবে। দেশটা যদি শেষ হয়ে যায়, আমরা যদি ভেঙে পড়ি, মানুষের কাছে যদি মানসম্মত ওষুধ তুলে দিতে না পারি, তাহলে দেশকে এগিয়ে নিতে পারব না।
তিনি বলেন, গত ১১ দিনে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ৩৩ শিশু মারা গেছে। দুর্ভাগ্য আমাদের, আমরা মন্ত্রী, সচিব হয়েও বিষয়টি জানতে পারিনি। পরে মিডিয়ার কল্যাণে জানতে পেরেছি। আমাদের নূন্যতম প্রতিশ্রুতি নিয়ে দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৮ বছর হামের টিকা কার্যক্রমে বড় ধরনের ঘাটতি ছিল। এর ফলে এখন হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে দ্রুত টিকা সংগ্রহ করে জাতীয় পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হবে।
স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এটি শুধু প্রদর্শনী নয়, দেশের ফার্মাসি খাতকে এগিয়ে নেয়ার একটি প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের ফার্মাসি খাতকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। বর্তমান সময়ে এই খাতকে আরো সমৃদ্ধ করতে ভূমিকা রাখছে উদ্যোক্তারা।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ ওষুধ উৎপাদনে সক্ষম ছিল। বাকি ৮০ শতাংশ ছিল আমদানিনির্ভর। বর্তমানে ওষুধের মোট চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে।
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো: শামীম হায়দার বলেন, ‘বাংলাদেশের ওষুধ ১২২টি দেশে রফতানি হচ্ছে। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে পরিসর পর্যায়ক্রমে বাড়ছে। বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প গুণগত ও কার্যকারিতায় রক্ষা করছে। সেই সাথে সুনাম ধরে রাখার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে রাখবে।