ওমেগা-৬ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে
Printed Edition
ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ডায়াবেটিস প্রতিরোধক। ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড হচ্ছে শরীরের জন্য উপকারী এক ধরনের ফ্যাট। এই ফ্যাটি অ্যাসিড উদ্ভিজ্জ তেল (যেমন ভুট্টার তেল, সয়াবিন তেল এবং সূর্যমুখীর তেল), ঘি এবং বাদামে পাওয়া যায়। প্রধান ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিডগুলো হলো : লিনোলিক অ্যাসিড (এলএ) গামা-লিনোলেনিক অ্যাসিড (জিএলএ) ও- অ্যারাকিডোনিক অ্যাসিড (এএ)। ত্বকের স্বাস্থ্য, চুলের বৃদ্ধি এবং প্রজনন ক্ষমতার জন্য ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ওমেগা-৬ গ্রহণ আমাদের হৃদযন্ত্র ও রক্তসংবহনতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে এবং এর উল্লেখযোগ্য উন্নতিতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ওমেগা-৬ শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। আর এটি ফ্যাট হলেও তা হার্টের জন্য উপকারী ফ্যাট হিসেবে বিবেচিত হয় এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।
ওমেগা ৬ খেলে ডোয়াবেটিস বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। চর্বি জাতীয় খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলেই এতকাল জানা ছিল। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে ওমেগা-৬ স্বাস্থ্যের জন্য বরং উপকারীই বটে। বর্তমান বিশ্বে টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ভয়াবহ আকারে বেড়ে যাচ্ছে। অথচ খাদ্য তালিকায় সামান্য পরিবর্তন এনে এই ভয়াবহতা দূর করা সম্ভব। আর তা হলো এবং ওমেগা-৬ ফ্যাট জাতীয় খাবার খাদ্য তালিকায় রাখা।
ওমেগা-৬ সমৃদ্ধ খাবার কি কি?
আখরোট : আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৬ পাওয়া যায়। এর প্রতি ২৮ গ্রামে প্রায় ১১ গ্রাম পর্যন্ত ওমেগা-৬ পাওয়া যায়। তাই প্রতিদিন কিছু পরিমাণে এই বাদাম খাওয়া আপনার খাদ্যের গুণগতমান বাড়াতে, তৃপ্তি দিতে এবং হৃদরোগে উপকার করতে পারে।
ভুট্টার তেল : ভুট্টার তেলও আপনার জন্য হতে পারে ওমেগা ৬-এর খুব ভালো উৎস। এর প্রতি চামচে প্রায় ৭ গ্রামের মতো ওমেগা-৬ পাওয়া যায়। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য আপনি মাখনজাতীয় তেলের পরিবর্তে ভুট্টার তেল ব্যবহার করতে পারেন।
সূর্যমুখী বীজ : প্রতি ২৮ গ্রাম সূর্যমুখী বীজে প্রায় ৬ গ্রামের বেশি ওমেগা-৬ থাকতে পারে। এ ছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে যে, এতে ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেসিয়াম, নিয়াসিন, আয়রন, ফাইনোলিক অ্যাসিড, ফ্লেভোনয়েডস এবং টোকোফেরোলসহ প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে। ইন্টারনেট।