খরগোশের কান কেন বড় হয়: লাবনী

Printed Edition
nittodin-1
খরগোশের কান কেন বড় হয়: লাবনী

জানো, খরগোশ ছোট আর লোমশ প্রাণী। এরা সাধারণত জঙ্গলেই বেশি থাকে। খরগোশের প্রথম অস্তিত্ব পাওয়া যায় উত্তর আমেরিকায়। বর্তমানে প্রায় সারা বিশ্বেই খরগোশ পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা ৫০ প্রজাতিরও বেশি খরগোশ নিয়ে গবেষণা করেন। খরগোশের শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় কানের আকার বেশ বড়।

শান্ত ও খুব নিরীহ প্রাণী হওয়ায় খরগোশের শত্রু চারপাশে ছড়িয়ে আছে। তাই প্রকৃতিগতভাবে ওদের কানটা বড়। কারণ বড় কানের জন্য খুব সামান্য শব্দও খরগোশের কানে পৌঁছে। বাতাসে ভেসে আসা অধিকাংশ শব্দ এদের কান পর্যন্ত পৌঁছতে বেশি সময় লাগে না। এ জন্য শত্রুরা এদের কাছে এলে খুব সহজেই এরা বুঝতে পারে এবং সহজেই নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে পারে।

এদের ঘ্রাণশক্তি অনেক প্রখর। আর পেছনের পা দু’টি বেশ লম্বা বলে খুব দ্রুত ছুটতে পারে। এরা ঘণ্টায় ৬৫ কি. মি. বেগে ছুটতে পারে।

বন্য খরগোশরা সকালে এবং সন্ধ্যায় খাবারের খোঁজে বনের মধ্যে ঘোরাঘুরি করে। এ ছাড়া বাকি সময় গর্তের ভেতরে থাকে।

এরা ঘাস এবং সবুজ সবজি, লতাপাতা খেয়ে জীবন ধারণ করে। এদের সংখ্যা বৃদ্ধির হার খুব বেশি। মায়ের পেটে ৪০ দিন থাকার পর বাচ্চা খরগোশ পৃথিবীর আলো দেখে। খরগোশের অনেক শত্রু থাকার পরও কেবল সংখ্যায় বেশি থাকার কারণে এরা পৃথিবীতে টিকে আছে। একটা স্ত্রী খরগোশ বছরে ১০ থেকে ১২টা বাচ্চা জন্ম দেয়।