কে হচ্ছেন বগুড়া সিটির প্রথম প্রশাসক
আলোচনায় নবীন প্রবীণ নেতারা
Printed Edition
বগুড়া অফিস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন হিসেবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর প্রথম প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে সর্বত্র জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। অবশ্য এখনো গেজেট প্রকাশ হয়নি। প্রাক-নিকার সভায় অনুমোদনের পর এখন নিকার (প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি) সভায় অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। শিগগিরই গেজেট প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে। গত ২০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সফরকালে দেড় শ’ বছর বয়সী বগুড়া পৌরসভা চত্বরে নবসৃষ্ট বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন শেষে মুনাজাত ও বক্তব্য দেন। বর্তমানে সিটির বিদ্যমান আয়তন ৭০ বর্গকিলোমিটার, জনসংখ্যা ১০ লাখ, সাধারণ ওয়ার্ড ২১টি।
দীর্ঘ ১৭ বছরের উন্নয়ন বঞ্চিত বগুড়ার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রথমেই সিটি করপোরেশন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাই সিটির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সরকারি দলের কোনো রাজনৈতিক নেতাকে প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সে কারণে প্রশাসক হতে রাজনৈতিক নেতারা নানাভাবে সরকার প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন। এ ক্ষেত্রে অনেকের নামে ডিজিটাল ব্য্যানার, ফেসবুক, সংবাদপত্র , সরাসরি দলের উচ্চ পর্যায়ে লবিংসহ নানাভাবে চেষ্টা চলছে। আবার কেউ কেউ নিজেরা তার সমর্থকদের এমন প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রথম প্রশাসক হিসেবে যাদের নাম দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবার রহমান ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, জয়নাল আবেদীন চাঁন ও আলী আজগর তালুকদার হেনা, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম খায়রুল বাশার, বগুড়া শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম অন্যতম।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী বগুড়া সম্পর্কে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল। তাই তিনি যাকে সিটির জন্য যোগ্য মনে করবেন তাকেই এ দায়িত্ব দেবেন। আলোচিত কোনো কোনো নেতা নিজেদের যোগ্যতা দক্ষতা প্রধান মন্ত্রীর উপর ছেড়ে দিয়েছেন। তারা সকলেই প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাবেন বলে জানিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে দলীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে মেনে নেবেন এমন ঘোষণাও দিয়েছেন।