সাইবার হামলার গ্রুপ এবং আইডেন্টিটিভিত্তিক আক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে
Printed Edition
প্রযুক্তি ডেস্ক
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সফোস সম্প্রতি ২০২৬ সালের সফোস অ্যাক্টিভ অ্যাডভারসারি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, গত বছর সফোস ইনসিডেন্ট রেসপন্স এবং ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স পরিষেবা টিমের অনুসন্ধানে, ৬৭ শতাংশ ঘটনা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আইডেন্টিটি-সম্পর্কিত সাইবার হামলার সাথে সম্পৃক্ত ছিল। হামলাকারীরা কীভাবে কম্প্রোমাইজড ক্রেডেনশিয়াল, দুর্বল বা সক্রিয় নয় এমন মাল্টিফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (এমএফএ) এবং ঝুঁকিপূর্ণ আইডেন্টিটি সিস্টেম ব্যবহার করছে, সেটিও উঠে আসে। আর এতে অনেক সময় নতুন টুল বা কৌশলেরও প্রয়োজন হচ্ছে না। অন্যদিকে, আক্রমণ শনাক্ত হতে যে সময় লাগে (মিডিয়ান ডুয়াল টাইম) তা তিন দিনে নেমে এসেছে। কিন্তু আক্রমণকারীরা এখন নেটওয়ার্কের ভেতরে অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা সিস্টেমে ঢোকার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাক্টিভ ডিরেক্টরিতে পৌঁছে যাচ্ছে। একই সাথে দেখা যায়, র্যানসমওয়্যার এবং তথ্য চুরি করার ঘটনাও বেশির ভাগই অফিস সময়ের বাইরে হচ্ছে অর্থাৎ যখন নজরদারি তুলনামূলক কম থাকে। সিস্টেম ডেটা (টেলিমেট্রি) না থাকার কারণে এমন পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে আক্রমণ দ্রুত প্রতিরোধ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির ক্ষেত্রে প্রতিবেদনে দেখা যায়, আইডেন্টিটি কম্প্রোমাইজ বা পরিচয়-ভিত্তিক আক্রমণের ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে চুরি হওয়া ক্রেডেনশিয়াল এবং ফিশিং হামলা। সফটওয়্যারের দুর্বলতাগুলো (ভালনারেবিলিটি) এখনো আক্রমণের একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আসছে। কিন্তু এখন হামলাকারীরা প্রাথমিক অ্যাক্সেস পেতে বৈধ অ্যাকাউন্টের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। ৫৯ শতাংশ ঘটনার ক্ষেত্রে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (এমএফএ) ব্যবহার না করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।