পশ্চিম তীরে নতুন বসতি স্থাপনে ইসরাইলের নিন্দায় ওআইসি

Printed Edition

আলজাজিরা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ৩৪টি নতুন বসতি স্থাপনের বিষয়ে ইসরাইলের নেয়া সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)। সংস্থাটি বলেছে যে এ সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ইসরাইলি মানবাধিকার গোষ্ঠী পিস নাউ গত বৃহস্পতিবার রাতে জানিয়েছে যে ইসরাইল সরকার এপ্রিলের শুরুতে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলোতেও এ খবরটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এ পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম অবমাননা হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে এ বিষয়ে ইসরাইল সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ওআইসির জেনারেল সেক্রেটারিয়েট শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে দখলদার শক্তি হিসেবে ইসরাইলের ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড বা পূর্ব জেরুসালেমের ওপর কোনো সার্বভৌমত্ব নেই। সেখানে ভৌগোলিক বা জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে ইসরাইলের নেয়া সব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ ও বাতিল বলে গণ্য হবে।

২০২২ সালে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত ৬৮টি বসতি অনুমোদিত হয়েছে যার সাথে নতুন এ ৩৪টি যুক্ত হলো। ওআইসি সতর্ক করে দিয়েছে যে জমি দখল এবং বসতি স্থাপনকারীদের সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে পশ্চিম তীরকে ইসরাইলের অন্তর্ভুক্ত করার এ চেষ্টা দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার হরণ করছে।

আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়া

তুরস্ক এ পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করে একে জাতিসঙ্ঘ প্রস্তাবের গুরুতর লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতিবিষয়ক মুখপাত্র আনোয়ার আল আনৌনিও এ সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন। ইইউ জানিয়েছে যে পূর্ব জেরুসালেমসহ পশ্চিমতীরে ইসরাইলের এ একতরফা সম্প্রসারণ আন্তর্জাতিক আদালতের রায় অনুযায়ী অবৈধ।