হেলথ টিপস

প্রোটিনের ভাণ্ডার শিমের বিচি

শীতকালে সবচেয়ে জনপ্রিয় সবজিগুলোর মধ্যে শিম অন্যতম। তবে শুধু শিম নয়, এর বিচিও বেশ পুষ্টিকর খাবার। এটি শরীরকে প্রোটিন ও শর্করায় সমৃদ্ধ করে। ১০০ গ্রাম শিমের বিচিতে ২৪.৯ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা গরুর গোশতর চেয়ে বেশি এবং মুরগির প্রায় সমান। তাই যারা নিরামিষভোজী বা গোশত, ডিম, দুধ খেতে পারেন না তাদের জন্য শিমের বিচি প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস। জেনে নিন শিম বিচের উপকারিতা-

হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য রা : শিমের বিচিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে, যা হাড়কে শক্ত রাখে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং বয়সজনিত হাড়ের সমস্যা, যেমন অস্টিওপোরোসিস, রোধ করতে সাহায্য করে। সেই সাথে এতে অধিক পরিমাণে আঁশ থাকায় হজমকে সাহায্য এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।

গর্ভবতীদের স্বাস্থ্য রা : শিমের বিচি গর্ভকালীন মায়েদের স্বাস্থ্য রায় সাহায্য করে। এতে থাকা পুষ্টিগুণ মায়ের দেহকে শক্তি দেয় এবং শিশুর সঠিক বৃদ্ধি নিশ্চিতে সহায়তা করে। এ ছাড়া এটি দুধের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।

শিশুদের প্রোটিন : অনেক শিশুই দেশে প্রোটিনের অভাবজনিত রোগ কোয়াশিওরকরে আক্রান্ত হয়। এতে শিশুদের বৃদ্ধি ধীর হয়, দেহে শক্তি কমে যায়, হাত-পা পাতলা হয়, পেট ফুলে যায়, আর পড়াশোনা ও খেলায় আগ্রহ কমে আসে। শিমের বিচিতে প্রচুর প্রোটিন থাকায় এটি শিশুদের শরীরকে শক্তি জোগাতে সাহায্য এবং কোয়াশিওরকরের প্রভাব কমায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ : ওজন নিয়ন্ত্রণে শিমের বিচি সহায়ক। দ্রবণীয় ফাইবার কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে রাখে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এ ছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্যামেটরি উপাদান হৃদযন্ত্রের সুরাও দেয়। এ ছাড়া এই বিচি রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং গ্লাইকোজেন সরবরাহ করে। এতে রক্ত পরিষ্কার থাকে এবং দেহের রোগপ্রতিরোধ মতা বাড়ে।

ক্যানসার রোধে সাহায্য : শিমের বিচিতে অটেন ধরনের ফ্যাভোনয়েড রয়েছে, যা ক্যানসার কোষের বৃদ্ধিকে বাধা দেয়। এ কারণে এটি শরীরকে ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে রা করতে সাহায্য করে। ইন্টারনেট।