ই ওয়ালেটে রেমিট্যান্স প্রেরণে অনুমোদন মালয়েশিয়ার
Printed Edition
এখন থেকে মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীরা ঘরে বসেই একটি মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করে বাংলাদেশের সব মোবাইল ব্যাংকিং ও করপোরেট ব্যাংকে সহজেই বৈধ পন্থায় রেমিট্যান্স প্রেরণ করতে পারবেন। বহুজাতিক সংস্থা রিয়া ই ওয়ালেট এ অনুমোদন পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক কিংবা মানিট্রানফার সেন্টারে সরাসরি যাওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রবাসীরা ঘরে বসেই মোবাইলে কর্মস্থলের বেতন গ্রহণ ও নিয়োগকর্তারা কর্মীদের রিয়া ই ওয়ালেটে বেতন প্রদান করতে পারবেন। মালয়েশিয়ার শ্রম মন্ত্রণালয় (জেটিকে) এ অনুমোদন প্রদান করে। গত বুধবার দেশটির জাতীয় দৈনিক বেরিতা হারিয়ান এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, গতকাল কুয়ালালামপুরের লো মেরিডিয়ান হোটেলের গ্যালারিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত বলা হয়, রিয়া মানি ট্রান্সফার এবং ইউরোনেট ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইনকরপোরেটেডের একটি ব্যণিজ্যিক শাখা, মালয়েশিয়ার শ্রম মন্ত্রণালয় (জেটিকে) এস এম থেকে রিয়া ই ওয়ালেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বেতন পরিশোধ করার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছে। এই অনুমোদনের মাধ্যমে রিয়া এখন মালয়েশিয়ার বৃহৎ প্রবাসী শ্রমিক জনগোষ্ঠীর জন্য একটি নিরাপদ, বৈধ চ্যানেলে ও নিয়মানুগ বেতন ব্যবস্থাপনা চালু করতে পারবে, যাদের একটি বড় অংশ ব্যাংকিং সেবার বাইরে রয়েছে।
এই সমাধানটির আওতায় থাকবে, রিয়া পেরোল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, রিয়া ওয়ালেট, রিয়া প্রিপেইড কার্ড প্রোগ্রাম (মাস্টারকার্ডের সাথে যৌথভাবে তৈরি) ডিজিটাল সার্ভিসের পাশাপাশি, মালয়েশিয়াজুড়ে টাকা পাঠানোর জন্য রিয়া মানি ট্রান্সফারের ৭৮টি শাখা রয়েছে। ডিজিটালের পাশাপাশি রিয়া মানি ট্রান্সফারে সেমিডিজিটাল সার্ভিসও রয়েছে, যা গ্রাহকদের ই ওয়ালেট এবং কাউন্টারের মাধ্যমে অফলাইনে রেমিট্যান্স প্রদানের সুযোগ করে দেয়। রিয়া ই ওয়ালেট ও মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণ সরকারও নিদিষ্ট হারে রাজস্ব পাবে। প্রবাসীরা ঘরে বসেই বৈধ চ্যানেলে বিকাশ, রকেট ও নগদ অ্যাকাউন্টে পরিবারের কাছে সরাসরি রেমিট্যান্স পাঠাতে পারবেন
২৪ ঘণ্টার যেকোনো সময়। বাংলাদেশে নিরাপদে টাকা পাঠানোর জন্য রিয়া মানি ট্রান্সফার একটি দুর্দান্ত মাধ্যম বলে জানান রিয়া এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা আরো বলেন, ঘরে বসেই মোবাইল ব্যবহার করে সহজেই নিজ দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণের সুবিধা থাকায় প্রবাসীরা অবৈধ চ্যানেল পরিহার করে বৈধ পন্থায় রেমিট্যান্স প্রেরণে উৎসাহিত হবে এবং দেশের অর্থনীতি হবে আরো সমৃদ্ধ।