গৌরনদীতে ৩ বছর পর চালু ৩ উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র

Printed Edition

আরিফিন রিয়াদ গৌরনদী (বরিশাল)

তিন বছর ধরে চিকিৎসক সঙ্কটে অচল থাকা বরিশালের গৌরনদী উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফের চিকিৎসাসেবা শুরু হয়েছ। নতুন করে চিকিৎসক নিয়োগ দেয়ায় গ্রামের এসব হাসপাতালেই মিলছে প্রাথমিক চিকিৎসা। ফলে স্থানীয় পর্যায় মানুষের দুর্ভোগ যেমন কমেছে, তেমন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ কমেছে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার খাঞ্জাপুর, নলচিড়া ও বাটাজোর ইউনিয়নের উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো চিকিৎসক না থাকায় প্রায় তিন বছর বন্ধ ছিল। ফলে সামান্য জ্বর-সর্দি থেকে শুরু করে সব রোগ নিয়েই স্থানীয়দের ছুটতে হতো উপজেলা হাসপাতালে। এতে সময় ও খরচের পাশাপাশি বাড়ত ভোগান্তি; যার প্রভাব পড়ে উপজেলা হাসপাতালে। প্রতিদিন গড়ে সাড়ে পাঁচ শ’ রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়েছে চিকিৎসকদের। সীমিত জনবল নিয়ে অতিরিক্ত রোগী সামলাতে গিয়ে সেবার মান নিয়েও চাপ তৈরি হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, চিকিৎসক সঙ্কটের কারণেই ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা বন্ধ ছিল। তবে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি নতুন আটজন চিকিৎসক যোগ দেয়ার পর পরিস্থিতির পরিবর্তন শুরু হয়। এরপর দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে ফের চালু করা হয় তিনটি উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র।

বর্তমানে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতিদিন একজন করে এমবিবিএস চিকিৎসক রোগী দেখছেন। এতে গ্রামেই প্রাথমিক চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে উপজেলা হাসপাতালে যাওয়ার প্রবণতা কমছে।

বাটাজোর উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দায়িত্বরত ডা: রিদওয়ানা বলেন, প্রতিদিন গড়ে ২০-২৫ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।