অনেক প্রাপ্তি দেখছেন মিরাজ
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া। আগামী অক্টোবর-নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য এই ১৪তম আসরের বেশির ভাগ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। ৫০ ওভারের এই বিশ্ব আসরে খেলতে হলে র্যাংকিংয়ে নবম অবস্থানে থাকবে হবে বাংলাদেশকে। সদ্য শেষ হওয়া পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতে আপাতত নয় নম্বরে আছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। অধিনায়কের চোখে এই সিরিজে শুধু ট্রফি নয়, প্রাপ্তি আছে আরো। আগামী মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে টাইগাররা। ঘরের মাঠে সিরিজগুলো জয় নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। বিশ্বকাপের মূল পর্বে সরাসরি খেলতে হলে সামনে প্রত্যেক সিরিজই সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।
সদ্য শেষ হওয়া তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। পরের ম্যাচেই তাদের বাস্তবতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় সফরকারী দল। তবে অঘোষিত ফাইনাল ম্যাচের রোমাঞ্চকর লড়াই জিতে সিরিজ ঠিকই নিজেদের করে নেয় টাইগাররা।
পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ হওয়া সিরিজের প্রাপ্তির প্রশ্নে মিরাজ বলেন, ‘সব মিলে সবাই দল হিসবে খেলেছে। আমার কাছে মনে হয় নাহিদ রানা খুবই ভালো বোলিং করেছে। কারণ ও দেখেন লাস্ট সিরিজে দলে ছিল না। দলে ফিরে দারুণ কামব্যাক করেছে। ভালো করেছে এবং ফার্স্ট ম্যাচে ফার্স্ট ফাইভ উইকেট পেয়েছে। অনেক ভালো বোলিং করেছে তাসকিন ও মোস্তাফিজ। আমার কাছে মনে হয় খুব ভালোভাবে পালন করেছে দায়িত্ব বোলাররা।’
তিনি যোগ করেন, ‘প্রথম ম্যাচে আমরা ওদেরকে ১১৪ রানে অল আউট করেছি। দ্বিতীয় ম্যাচে আমরা হয়তো প্রথম ১০-১২ ওভার ভালো করতে পারিনি; কিন্তু আমরা ভালোভাবেই কামব্যাক করেছি। শেষের দিকে আমরা ওদেরকে প্রায় ৪০ রানের ভিতরে ছয় উইকেট নিয়েছি।’
এই সিরিজে কিছু ঘাটতিও চোখে পড়েছে। ব্যাটারদের আরো দায়িত্ব নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘হ্যাঁ, তারপরও আমাদের কিছু জায়গায় ঘাটতি আছে। ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমার কাছে মনে হয় যে আমরা যদি ট্রু উইকেটে খেলি ব্যাটসম্যানরা অনেক আত্মবিশ্বাস পাবে। আমরা যে পাকিস্তান সিরিজ খেলেছি আমরা কিন্তু ট্রু উইকেটে খেলেছি ও ব্যাটসম্যানরা এখানে রান পেয়েছে। সো আমরা ওইভাবেই প্ল্যানিং করছি।’
এদিকে সিরিজ হেরে পাকিস্তানের হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন দলটির প্রধান কোচ মাইক হেসন। বাংলাদেশের ওপেনিং ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিমের প্রশংসা করেন তিনি। পুরো সিরিজেই এই ব্যাটার পাকিস্তানকে বেশ ভুগিয়েছেন বলে মনে করেন হেসন। তিনি বলেন, সে আমাদের করা প্রতিটি ভুল ডেলিভারি থেকেই ফায়দা লুটেছে। যখনই আমরা একটু বেশি সোজাসুজি বল করেছি, সে সেটা অনায়াসে পিক করেছে। আবার অফ-সাইডের বাইরে একটু জায়গা পেলেই সেখানেও বাউন্ডারি আদায় করেছে। আমাদের লাইনে বিন্দুমাত্র বিচ্যুতি হলেই সে সেটার সুযোগ নিয়েছে ও আমাদের শাস্তি দিয়েছে।’