চলে গেলেন আবাহনীর রিপন
Printed Edition
ক্রীড়া প্রতিবেদক
অনেক বছর ধরে একসাথে চলাফেরা করতেন আবাহনীর মতিউর মুন্না, পুষ্কিন, খাজা রহমত উল্লাহ, জুম্মন লুসাই, কাঞ্চন, ডাক্তার জাওয়াদ, জাকি আহমেদ রিপন, শহীদুল্লাহ দোলন, আসীররা। এর মাঝে দোলন ও আসীর ছাড়া সকলেই পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নিয়েছেন। গতকাল সকালে হাসপাতালে পৌঁছেও শেষ রক্ষা হয়নি রিপনের। দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী আবাহনী লিমিটেডের সাবেক ডিফেন্ডার ও হকি সংগঠক বাড়িতে ফিরলেন নিথর দেহে। ষাটোর্ধ্ব রিপন হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুবরণ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। স্ত্রী ও দুই মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বড় মেয়ে কানাডা প্রবাসী। ধানমন্ডির মধুবাগ মসজিদ ও এরপর প্রিয় আবাহনী ক্লাবে বাদ আসর নামাজে জানাজার পর রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয় মরহুমকে।
হকির জন্য নিবেদিত প্রাণ এই সংগঠককে হারিয়ে সতীর্থ শহীদুল্লাহ দোলন বলেন, ‘সবাইকে যেতে হবে তবে কিছু মৃত্যু ভাবতেও কষ্ট লাগে। বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে গেলেও ডাক্তাররা অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি। একজন ভালো সংগঠক হারালাম। আমরা দীর্ঘ ৪০-৪৫ বছর একসাথে। একে একে সবাই চলে যাচ্ছে। আমাদের গ্রুপের মাঝে আমি আর আসীর এখনো আছি।’
প্রায় চার দশক আবাহনী ক্লাব ও হকির সাথে রিপনের সম্পৃক্ততা। রায়েরবাজারের হয়ে দ্বিতীয় বিভাগে খেলে সোনালি ব্যাংকে এক বছর খেলার পর আবাহনীতে এসে আর দল ছাড়েননি। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে নিবেদিত সংগঠক হয়েছেন। আবাহনী হকি কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন তিনি। হকি ফেডারেশনে যুগ্ম সম্পাদক ও সহসভাপতি এবং বিওএর সদস্যও ছিলেন।
রিপনের আকস্মিক মৃত্যুতে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, আবাহনীসহ বিভিন্ন ক্লাব, সাবেক খেলোয়াড়, সংগঠক ও বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন শোক প্রকাশ করেছেন।