বিএমইউতে স্ট্রাকচার্ড ক্লিনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট বিষয়ক কর্মশালা
Printed Edition
নয়া দিগন্ত ডেস্ক
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) স্ট্রাকচার্ড ক্লিনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট (এসসিএ) (ঝঃৎঁপঃঁৎবফ ঈষরহরপধষ অংংবংংসবহঃ-ঝঈঅ) ষিয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত এ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভিসি অধ্যাপক ডা: মো: শাহিনুল আলম।
তিনি উচ্চতর মেডিক্যাল শিক্ষাকার্যক্রমকে আরো মানসম্মত ও গুণগত শিক্ষা দেয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করে চিকিৎসা বা মেডিক্যাল শিক্ষায় পিছিয়ে না থেকে চ্যালেঞ্জ নিয়ে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেন।
উচ্চতর মেডিক্যাল শিক্ষায় যার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য ও সময়েরই দাবি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। চর্মরোগ ও যৌন ব্যাধি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালায় বিএমইউসহ দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬৫ জন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ শিক্ষক, চিকিৎসক অংশ নেন।
কর্মশালায় প্রোভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা: মো: মুজিবুর রহমান হাওলদার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা: মো: নজরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চর্মরোগ ও যৌন ব্যাধি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা: মুহাম্মদ মুনীর রশীদ। ধন্যবাদ জানান মেডিক্যাল টেকনোলজি অনুষদের ডিন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা: এম আবু হেনা চৌধুরী। প্রধান গবেষকের বক্তব্য রাখেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা: মো: আবদাল মিয়া। এ ছাড়া গবেষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের মেডিক্যাল অ্যাডুকেশন বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক ডা: মো: রাসেল আহমেদ খান। কর্মশালায় এসসিএর দর্শন তুলে ধরা, গ্রুপ ওয়ার্ক অ্যান্ড প্রাকটিক্যাল ডেমোনেসট্রেশন অব এসসিএ, গ্রুপ প্রেজেনটেশনস, ওয়ার্প-আপ সেশন ইত্যাদি সম্পন্ন করা হয়।
কর্মশালায় সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা: মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন ও সহযোগী অধ্যাপক ডা: মো: মোস্তাক মাহমুদ।
আলোচকরা বলেন, এই কর্মশালা মেডিক্যাল শিক্ষা ও মূল্যায়নে আরো গুণগত মান নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। প্রকৃত ক্লিনিক্যাল দক্ষতা মূল্যায়নে সহায়ক হবে। স্ট্রাকচার্ড ক্লিনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট স্বাস্থ্যশিক্ষায় গুণগত মান নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের দক্ষতা উন্নয়নে এটি অত্যন্ত কার্যকর। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই উন্নয়ন ও উচ্চতর মেডিক্যাল শিক্ষার মানোন্নয়নে এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি অংশগ্রহণকারী শিক্ষক, চিকিৎসক, এমনকি শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসক তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
অংশগ্রহণকারীরা জানান, এই কর্মশালার মাধ্যমে তারা ক্লিনিক্যাল দক্ষতা মূল্যায়নের একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক পদ্ধতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেয়েছেন। কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে আয়োজকরা ভবিষ্যতে এ ধরনের আরো প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে আরো আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা সম্ভব হবে।